হোক না নিথর, তবু তো মায়ের শরীরের স্পর্শেই ঘুম

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮ | আপডেট: ৮:০৯:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮
হোক না নিথর, তবু তো মায়ের শরীরের স্পর্শেই ঘুম

শ্বাস চলছে কোনও মতে। দু’-পা প্রায় অসাড়। অবলম্বন বলতে পাঁচ বছরের একরত্তি শিশু। এই ভাবেই কোনও মতে হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নিজেকে টেনে এনেছিলেন মহিলা। মৃত্যু তখন মাত্র আধ ঘণ্টা দূরে। চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্তে¡ও যখন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে মা, পাশে ক্লান্ত শরীরে ততক্ষণে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েছে ছেলে। হোক না নিথর, তবু তো মায়ের শরীরের স্পর্শেই ঘুম।
গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ এ ভাবেই শেষ মুহূর্তে মাকে নিয়ে ভারতের হায়দরাবাদের ওসমানিয়া জেনারেল হাসাপাতালের জরুরি বিভাগে এসেছিল ছেলেটি। মহিলাকে বাঁচাতে না পেরে পুলিশে খবর দেন চিকিৎসকরাই। সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ না থাকায় হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দ্বারস্থ হন হাসপাতালের কর্মীরা। ছেলের কাছ থেকেই পাওয়া যায় মৃত মহিলার আধার কার্ড। জানা যায় তিনি সামিনা সুলতানা, পেশায় নির্মাণকর্মী। হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের সদস্য মুজতবা হাসান আসকারি জানান, তিন বছর আগেই সুলতানাকে ছেড়ে চলে গেছেন স্বামী। রাজেন্দ্রনগরে কোনও এক পুরুষের সঙ্গে থাকলেও তিনিও হয়তো তাকে হাসপাতালের বাইরে ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অবশেষে মৃত্যুর ১৮ ঘণ্টা পর জাহিরবাদে সুলতানার বাবা-মায়ের হাতে লাশ তুলে দেন হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। শিশুটিকে তার মামার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।


Mountain View

Mountain View

Mountain View