ঝালকাঠি যুব উন্নয়নে অনুমতি ছাড়াই সরকারী গাছ বিক্রি

প্রকাশিত: ৮:০৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২২ | আপডেট: ৮:০৭:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২২

সরকারী কোন অনুমোদন ছাড়াই ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অজুহাতে ঝালকাঠি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সামনের সৌন্দর্য বর্ধনের কৃষ্ণচুড়া গাছটি নামমাত্র মূলে বিক্রি করে দিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অজুহাতে এগাছটি বিক্রি করেছে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা। এর প্রতিবাদ করায় স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার নামেও জিডি করেছেন যুব উন্নয়ন এর উপপরিচালক। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। পরে স্থানীয়দের চাপ ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জিডি প্রত্যাহার করেন উপপরিচালক ফারিহা নিশাত।
স্থানীয়দের অভিযোগ ও সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের বাসন্ডা এলাকায় জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কমপ্লেক্স। মহাসড়ক সংলগ্ন কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক সংলগ্ন মসজিদ ও গাড়ি রাখার গ্যারেজের মাঝে ছিলো বহু বছরের বিশালাকৃতির একটি কৃষ্ণচুড়া গাছ। পাকা গ্যারেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সেই আশঙ্কায় সরকারী কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে কোন অনুমোদন ছাড়াই নাম মাত্র মূল্যে গাছটি বিক্রি করা হয়। অথচ সুরক্ষিত গ্যারেজ এবং কৃষ্ণচুড়া গাছের মধ্যবর্তি ফাকা স্থান প্রায় ১৫ফুট। এছাড়াও এভাবেই ভিতরের বেশ কিছু গাছ সরকারী অনুমোদন ও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে স্বেচ্ছাচারিতায় বিক্রি করেছেন কর্তৃপক্ষ।
এবিষয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোতাহার রহমান জানান, ঘুর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে কৃষ্ণচুড়া গাছটির ডালপালা ভেঙে গ্যারেজের দিকে ঝুকে পড়েছিলো। ক্রমান্বয়ে ঝুকে ঝুকে গ্যারেজে পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হতো। সেই আশঙ্কায় গাছের ডালপালা কাটার জন্য শ্রমিক দেখালে তারা কাটার চুক্তি মূল্য ২২হাজার টাকা দাবী করে। পরে একসভার মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়ে কয়েকজন বেপারীকে দেখিয়ে মূল্য যাচাই করে ১১হাজার টাকায় বিক্রি করে রাজস্বখাতে জমা দেয়া হয়েছে। আরো অন্যান্য গাছ বিক্রি করার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। ’

Print Friendly, PDF & Email