সাংবাদিক নোমানীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় কুখ্যাত কালু মোল্লা কারাগারে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২২ | আপডেট: ৭:১৭:অপরাহ্ণ, জুন ৬, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশাল সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদ’র তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, দৈনিক বাংলার বনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক শাহনামার প্রধান বার্তা সম্পাদক ও মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মামুনুর রশীদ নোমানীকে হত্যাচেষ্টার মামলার আসামী কুখ্যাত কালু মোল্লাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

৬ জুন ঝালকাঠী আদালতে জামিনের জন্য মামলার ৫ নম্বর আসামী কালু মোল্লা হাজির হলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। কোর্ট সুত্র কালু মোল্লা কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাংবাদিক নোমানী ও তার মাতা এবং বোনের উপরে বর্বরোচিত হামলা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় রাজাপুর থানায় লিপি বেগম বাদী হয়ে ৮ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেন। মামলার আসামীরা হলো দেলোয়ার, ফেরদৌস, আলম, দুলাল, কালু মোল্লা, ফজলে হক, আমিনুল ও হোসেন আলী।
গত ৩ জুন বিকেলে সাংবাদিক নোমানীর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে, এতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে। বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অপারেশন শেষে বর্তমানে সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে সাংবাদিক নোমানী। এ হামলায় তার বৃদ্ধা মা পারুল বেগম এবং বোন লিপি আক্তারও গুরুতর আহত হয়েছেন। ৩ জুন শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে ঝালকাঠীর রাজাপুরের চল্লিশকাহানিয়া শাহরুমীর বাজারে এই হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা আগে থেকেই ওৎ পেতে ছিল। সাংবাদিক নোমানী ঘটনাস্থলে গেলেই তার উপরে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে নোমানীর মা ও বোন তাকে বাঁচাতে গেলে তাদেরকেও কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা। তারা তিনজনই এখন গুরুতর আহত অবস্থায় শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

জানা গেছে, কালিমা তাইয়েবা ,আল্লাহু ও মুহাম্মদ লেখা একটি তোরণ ভাঙ্গার উদ্যোগ নেয় এলাকার একটি গ্রুপ। সাংবাদিক নোমানী সহ এলাকার সচেতন মহল এর বিরোধীতা করে এবং সংবাদ প্রকাশ করে। সেই তোরণটি ভাঙ্গতে না পেরে ক্ষিপ্ত হয় আসামীরা। দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে অবশেষে এই হামলার ঘটনা ঘটালো তারা।

আহতের স্বজনরা বলেন, তারা নোমানী ও তার মাকে কুপিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রাখে। হত্যা করার উদ্যেশেই তারা এভাবে কুপিয়েছে। বর্তমানে তাদেও চিকিৎসা চলছে।

Print Friendly, PDF & Email