৬৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভ্যাট অনলাইন প্রকল্প সংশোধন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৩৭:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০১৮

সজিব খান: আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও সেবাভিত্তিক ভ্যাট প্রশাসন চালুর লক্ষ্যে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়ন (ভ্যাট অনলাইন) প্রকল্প (২য় সংশোধিত)’ নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এতে পূর্বের চেয়ে প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে ১৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

প্রকল্পটিতে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে ২৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সাহায্য বাবদ পাওয়া যাবে ৪৪৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) আওতায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরকারের ভ্যাট সম্পর্কিত রাজস্ব বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এতে ভ্যাট আইনের নানা ধরনের ফাঁক ফোকরও বন্ধ হবে। এছাড়া প্রকল্পটির মাধ্যমে কর প্রদান করে না এমন ব্যক্তিদের সনাক্তকরণ ও এনবিআর-এর লেনদেনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দেশে শিল্পায়নের দ্রুত প্রসারে সহায়তা করা, সরকারি ও বেসরকারি খাতে ব্যবসা শুরুর সময় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি ও ব্যবসা পরিচালনা, অধিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে অধিকতর বিনিয়োগ উৎসাহিতকরা হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২য় সংশোধিত প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ প্রকল্পে পাঁচ বছরের জন্য সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট আয়তনের অফিস ভাড়া নেওয়া হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৬টি যানবাহন কেনা হবে। প্রচার ও বিজ্ঞাপন, ট্যাক্সপেয়ার অ্যাডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন, গবেষণা, ভ্যাট সংক্রান্ত পৃথক অ্যাপস ও এ সংক্রান্ত পৃথক সফট্ওয়্যার তৈরি করা হবে। এছাড়া দক্ষতা বাড়াতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ। পরামর্শক সেবা সংগ্রহ, আইটি অবকাঠামো সংগ্রহ, প্রকল্প অফিসের জন্য অফিস ইক্যুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হবে এবং মাঠপর্যায়ের অফিস রিফারবিশমেন্ট ও অফিসগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা হবে।

এর আগে ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয় ছিল ৫৫১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। যার মধ্যে ১০১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা সরকারি অর্থায়ন ও ৪৪৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বিশ্বব্যাংক এর সাহায্য। তখন প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০১৮ সাল পর্যন্ত। আমাদের সময়.কম