মাদ্রাসার কক্ষ থেকে শি’শু ছাত্রের ঝুলন্ত ম’রদেহ উ’দ্ধা’র

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৪:৪৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ | আপডেট: ৪:৪৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১

রাজবাড়ির পাংশা উপজে’লার মৌরাট ইউপির বড় চৌবাড়িয়া হামিউসসুন্নাহ কওমি মাদ্রাসার শ্রেণী কক্ষ থেকে রবিবার রাতে মেহেরাব খান (১২) নামে এক ছাত্রের মহদেহ উ’দ্ধা’র করেছে পাংশা থা’না পু’লিশ। নি’হ’ত মেহেরাব একই এলাকার সৌদি প্রবাসী তাব্বেল খান এর ছে’লে। সে বড় চৌবাড়িয়া (চরপাড়া) হামিউসসুন্না মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলো। এ সংবাদ পেয়ে রাতেই সিনিয়র সহকারি পু’লিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমা’র সাহা ও পাংশা মডেল থা’নার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান এস আই মো. হু’মায়ুন রেজাসহ পু’লিশ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও এবং লা’শ ময়না ত’দ’ন্তের জন্য ম’র্গে প্রেরন করেন।

এ বিষয়ে নি’হ’ত মেহেরাবের দাদা আব্দুর রাজ্জাক খাঁ বলেন, আমি মাগরিবের নামাজ পরে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হেটে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার নিয়ে মাদ্রাসায় আসি। এসে দেখি আমা’র দাদু মেহেরাব মাদ্রাসার ক্লাস রুমের মধ্যে গলায় পাগড়ি পেঁচানো অবস্থায় ডাপের সাথে ঝুলছে। এরপর দ্রুত আমি দাদু ভাইকে জা’পটে ধরে উঁচু করে মানুষ ডাকি। এরপর ডাঁপ থেকে ওকে নামাই। জানা যায়, ঘটনার সময় মাদ্রাসার শিক্ষকগন পাশেই ম’স’জিদে মাগরিবের নামাজ পরবর্তি হাদিসের আলোচনায় ব্যাস্ত ছিলেন। মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মোঃ
রিয়াজুল ই’স’লা’ম জানান, অ’ত্র প্রতিষ্ঠানটি কেজি, মক্তব ও হেফজ শাখা মিলে মোট ৪২ জন ছাত্র ও ৫ জন শিক্ষক ছিলো।

স্থানীয় একটি সুত্রে জানা যায়, শি’শু মেহেরাবকে নগর বাথানের একটি মাদ্রাসা থেকে গত ৮ দিন আগে এই মাদ্রাসাতে এনে ভর্তি করা হয়। এটি হ’ত্যা নাকি আত্বহ’ত্যা এ রিপোর্ট লেখা অবদি সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নি’হ’তের পরিবারে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে। এ ব্যাপারে পাংশা মডেল থা’নার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন ময়না ত’দ’ন্তের রির্পোট পেলেই সঠিক কারণ জানাযাবে।

Print Friendly, PDF & Email