দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়কে প্রা’ণ গেল ফেঞ্চুগঞ্জের যুবকের

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ২:৩৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২১ | আপডেট: ২:৩৯:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩০, ২০২১

দক্ষিণ আফ্রিকায় এক সড়ক দু’র্ঘ’ট’নায় এক ব্যবসায়ী যুবকের মৃ’ত্যু হয়েছে। ওই যুবকের নাম মো. মিজানুর রহমান চয়ন (৩৮)। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল রোববার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেইপ প্রদেশের ক্যাথচার্ট এলাকায়।

নি’হ’ত চয়ন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজে’লার রাজনপুর গ্রামের ম’রহু’ম মো. শফিকুর রহমান লিলু মিয়ার ছে’লে। প্রায় দেড় যুগ থেকে আফ্রিকায় বসবাস করছেন তিনি। সেখানে তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী।

নি’হ’ত চয়নের সহোদর আফ্রিকায় বসবাসরত মো. আতিকুর রহমান রিগান এই প্রতিবেদককে জানান, রোববার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় (আফ্রিকা সময় বিকেল সাড়ে ৪টা) দেশটির ইস্টার্ন কেইপ প্রদেশের ক্যাথচার্ট এলাকায় এক সড়ক দু’র্ঘ’ট’নায় ঘটনাস্থলেই প্রা’ণ হারান বড় ভাই মো. মিজানুর রহমান চয়ন। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় ক্যাথচার্ট থেকে নিজের গাড়ি নিয়ে কুইন্স টাউনের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। দু’র্ঘ’ট’নার খবর পেয়ে বাঙালি কয়কজনকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান রিগান। ম’রদেহ স্থানীয় পু’লিশের হেফাজতে রয়েছে।

রিগান আরও জানান, ২০০২ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান চয়ন। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন এবং পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। বিয়ে করেছেন স্থানীয় এক মু’সলিম মে’য়েকে। এক ছে’লে ও এক মে’য়ের জনক ছিলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে রিগান জানান, যেহেতু স্ত্রী’ সন্তান রয়েছে আফ্রিকায়। তাই ম’রদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়টি নির্ভর করছে স্ত্রী’র মতামতের উপর। অনেক আনুষ্ঠানিকতা রয়েছে। তবে ম’রদেহ নিজ দায়িত্বে আসলে স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটির সবাইকে সাথে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানালেন সহোদর রিগান।

এদিকে, চয়নের মৃ’ত্যু সংবাদে শোকের মাতম চলছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজে’লা রাজনপুর গ্রামে চয়নের বাড়িতে। দেশে বসবাসরত বড় ভাই মো. আতাউর রহমান লিটন জানান, গত ২৯ জুলাই মা’রা গেছেন মা। পিতাকে হারিয়েছি গত কয়েক বছর আগে। সেই শোক কাটতে না কাটতে হারাতে হলো প্রিয় ভাইকে। ৬ ভাইয়ের মধ্যে চয়ন ছিল চতুর্থ। এই বয়সে চয়নের চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারছেন না তারা। চয়নের এমন মৃ’ত্যুতে কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বাড়িতে থাকা ২ সহোদর ও স্বজনরা। নিস্তব্ধতা নেমে আসছে তাদের পরিবারে।

Print Friendly, PDF & Email