আইন-আদালত শাসকগোষ্ঠীর মুখাপেক্ষী : খালেদা জিয়া

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১১:২৪:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০১৮
আইন-আদালত শাসকগোষ্ঠীর মুখাপেক্ষী : খালেদা জিয়া

শাহানুজ্জামান টিটু : আইন-আদালতও এখন শাসকগোষ্ঠীর মুখাপেক্ষী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, বিরোধী দল সংবিধান স্বীকৃত সকল রাজনৈতিক অধিকার থেকে এখন বঞ্চিত। দেশে গণতন্ত্রের লেশমাত্র চিহ্ন নেই। মৌলিক ও মানবাধিকার বর্তমান সরকার আগেই ভুলুন্ঠিত করেছে। গণমাধ্যম এখন পরাধীন।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য এ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইয়াসিন আলীকে গ্রেফতারের ঘটনায় এই বিবৃতি দেন খালেদা জিয়া। গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, শাসকগোষ্ঠী দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক কর্মী- নেতারা ছাড়াও দেশের কোন মানুষই এখন নিজেদের নিরাপদ বোধ করছেন না।

খালেদা জিয়া বলেন, সরকার সারাদেশকে গ্রাস বরতে সর্বনাশা নীতি অবলম্বন করেছে। এই নীতির তাৎপর্য হচ্ছে হুকুমবাদ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিরোধী দল ও ভিন্ন মতের অস্তিত্বের চিরদিনের জন্য অবসান ঘটানো। তিনি বলেন, ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা সরকারের জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে এজন্য যে, মানুষের প্রতিবাদী ¯্রােত যেন ক্ষমতার মসনদের দিকে ধেয়ে না আসে। এই লক্ষ্য পূরণে তৈমুর আলম খন্দকার এর ন্যায় একজন প্রাজ্ঞ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদকে আজ বিনা কারণে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারুণ্যের শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য ইয়াসিন আলী’র মতো যুবকদেরকেও কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগে বিরোধী দলের নেকাকর্মীদের আটক গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য নিরুদ্দেশ করে রাখারই মহাপরিকল্পনা

তৈমুর আলম খন্দকার এবং ইয়াসিন আলীসহ সারাদেশে গণগ্রেফতার অবিলম্বে বন্ধ ও গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নি:শর্ত মু্িক্তর জোর দাবি জানান বিএনপি প্রধান।

গণঅভ্যূত্থান দিবস উপলক্ষে খালেদা জিয়ার বাণী :
তিনি বলেন, আবারও একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন কায়েম করা হয়েছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাক, ব্যক্তি ও চিন্তার স্বাধীনতা এখন গুম করে ফেলা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ভোট দিয়ে ভোটারদের নিজের পছন্দমতো প্রতিনিধি বাছাই করার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় জীবনে ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থানের তাৎপর্য অপরিসীম। এ দিবস আমাদের গণতন্ত্র ও স্বাধীকার অর্জনের চেতনাকে শাণিত করে এবং সকল অন্যায় অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে আজও অনুপ্রেরণা জোগায়।

  • আমাদের সময়.কম