বাবুগঞ্জে নদী ভাঙনে নিঃস্ব দুইটি পরিবারকে সহায়তা দিয়ে প্রসংশায় ভাসছে ছাত্রলীগ সভাপতি জয়।

আরিফ হোসেন আরিফ হোসেন

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২১ | আপডেট: ১০:৩৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২১

আরিফ হোসেন,বাবুগঞ্জ(বরিশাল): সর্বনাশা সুগন্ধা নদী ভাঙনে ২টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। সংবাদটি গনমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বাবুগঞ্জের সন্তান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নজড়ে আসে। তিনি তাৎক্ষনিক বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগ কর্মীদের পাঠিয়ে নিঃস্ব পরিবার দুটি সহ হুমকির মুখে থাকা পরিবারগুলোর খোঁজ খবর নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকালে নিঃস্ব ওই পরিবার দুইটির জন্য নিজ তহবিল থেকে খাদ্য সহায়তা, ঔষদ ও প্রজনীয় দ্রব্যাদি পাঠিয়ে প্রসংশিত হয়েছেন।

এসময় তিনি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে ভাঙল এলাকা দেখে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের সবধরনের সমস্যা মোকাবেলায় পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত আনিসুর রহমান ও নুর ইসলাম হাওলাদারের পরিবারকে দেয়া সহায়তার মধ্যে ছিলো, এক বস্তা চাল, ময়দা, ডাল, তৈল, পিয়াজ, রসুন, সাবান, চিরা, মুড়ি, মুম, মশার কয়েল, শ্যাম্পু, লবন, সেমাই, চিনি, বিস্কুট, খাবার সেলাই, ঔষধ ও মাস্ক ইত্যাদি।
ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের পক্ষে এসব খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের আইন বিষায়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক, বাবুগঞ্জ ছাত্রলীগ নেতা শহীদুল ইসলাম,অনিক সিকদার,সফিকুল ইসলাম সিফাত,রাহাত,রায়হান,আবিদ আল সাকিব,নাইম,অনিক হাওলাদার, আরিফ হোসাইন প্রমুখ।
উল্লেখ্য নদী ভাঙনের ঘটনাটি ঘটেছে ৩০জুন সকালে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চরসাধুকাঠী গ্রামে।
সরোজমিনে গিয়ে জানাযায়, জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হঠাৎ সুগন্ধা নদীর ভাঙনে দেবে যায় বরগা চাষী আনিসুর রহমানের শেষ সম্বল ঘরসহ ১২শতক জমি। শেষ সম্বল জমি ও ঘর হারিয়ে ৫সদস্যের সংসার নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছেন তিনি। তারা এখন প্রতিবেশিদের ঘরে রাত্রি যাপন করছে।
আনিসুর রহমান বলেন, ‘(৩০জুন )বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাড়ির সামনে ফাটল ধরেছে। মূহূর্তেই বিলীন হতে শুরু করে জমিসহ গাছপালা। তখন মসজিদের মাইকে নদী ভাঙনের খবর ঘোষনা দিলে স্থানীয়রা ছুটে এসে আমার ঘরটি কোন রকম সরিয়ে নিতে সক্ষম হলেও হাসমুরগীসহ সবকিছু নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়’। পাশাপাশি এমএ হক হাওলাদারে ভিটাবাড়ি বৃহস্পতিবার নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে। এছাড়া মামুন হাওলাদারের ঘরসহ নদী নিকট বর্তী ৪টি পরিবার ভাঙন আশংকায় হতাশার জীবন কাটাচ্ছে। হুমকির মূখে রয়েছে চরসাধুকাঠি সিনিয়র মাদ্রাসা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াতে একমাত্র রাস্তা।

Print Friendly, PDF & Email