তরুন মিউজিশিয়ান আর্টিস্ট আরিয়ান আহমেদ

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১:১২ পূর্বাহ্ণ, জুন ২০, ২০২১ | আপডেট: ১:১২:পূর্বাহ্ণ, জুন ২০, ২০২১

বিনোদন ডেস্কঃ আরিয়ান আহমেদ। মাত্র ২২ বছর বয়সেই সফল একজন ডিজিটাল মার্কেটার এবং মিউজিশিয়ান আর্টিস্ট! তিনি শৈশব থেকেই নতুনত্ব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা নিয়ে মগ্ন থাকতে ভালবাসতেন।০৩ মার্চ ১৯৯৮সালে লক্ষীপুর জেলা জন্মগ্রহণ করেন তিনি!

কঠিন পরিশ্রমের কারণে আজ সফলতার দ্বারপ্রান্তে তিনি। আজ তিনি সফল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তিনি বাংলাদেশের মধ্যে অন্যতম ডিজিটাল মার্কেটার হিসাবে আখ্যায়িত হয়েছেন। আজ তার উদ্যোগে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলিতে একটি দুর্দান্ত স্থানে অবস্থান করছে। তিনি শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতে নয়, তিনি একজন সফল ব্লগার এবং ভার্চুয়াল উদ্যোক্তা। তিনি তাঁর অসীম চেষ্টায় সফলতা চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছেন।

আরিয়ান আহমেদ অল্প বয়সেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ শুরু করে। এবং অল্প বয়সেই তিনি জানান দেন একজন সফল ডিজিটাল মার্কেটের হিসেবে। ‘মিস্টার কিং টিম’ নামে নিজের একটি টিম দিয়া কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। মূলত সোশ্যাল মিডিয়া নিরাপত্তায় কাজ করেছিলেন টিম টি। বিভিন্ন ধরনের এজেন্সির হয়ে কনটেন্ট প্রজেকশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করেন তারা।
ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহার করে পণ্যের প্রমোশন করাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। সোশ্যাল মিডিয়া, সার্চ ইঞ্জিন, ইনফ্লুয়েন্সার্ মার্কেটিং- এসবই ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। বর্তমান যুগের ডিজিটাল মার্কেটিংকে বিশাল একটি সম্ভাবনা ক্ষেত্রে বলে মনে করেন এই তরুণ। আমরা জানি মার্কেটিংয়ের দিন দিন এর গুরুত্ব বাড়ছে তাই তরুণদের এই ক্ষেত্রে কাজ করার ওপর জোর দেয়ার কথা বলেন আরিয়ান আহমেদ।

তিনি বলেন, ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ শুরু করতে চাইলে প্রথমে তার দক্ষতা বাড়াতে হবে। কারণ সঠিক জ্ঞান নিয়ে এই সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু অজ্ঞতা নিয়ে বারবার শুধু অসফলতার দিকেই আসতে হয়। এর জন্য সবার প্রথমে দক্ষতা বাড়াতে হবে। এরপর অনুসন্ধান করতে হবে প্রতিনিয়ত চোখ কান খোলা রেখে। পাশাপাশি জানতে হবে বিভিন্ন টুলস এর ব্যবহার। কি ধরনের কনটেন্ট পছন্দ করছে লাখো মানুষ সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কনটেন্ট তৈরি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান আরিয়ান আহমেদ ।

আবার অনেকেই ভাল কনটেন্ট তৈরি করেও ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে না। তাদের জন্য সবসময় কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখেন আরিয়ান আহমেদ। নিজের ক্যারিয়ার শুরুতে পার করেছেন অনেক ধরনের বাধা বিপত্তি। তাই ডিজিটাল দুনিয়ার কাজ করতে আসা তরুণরা যেন বাধার সম্মুখীন না হয়, সেজন্য আরিয়ান আহমেদ চেষ্টা করে যাচ্ছেন নিজ জায়গা থেকে। এটি বর্তমান তরুণদের জন্য অনেক বড় একটা সমর্থন পাওয়া যাবে অনেকেই আশা করেন। এছাড়াও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তিনি সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি ব্লগিং করেন। আরিয়ান আহমেদ বিশ্বাস করেন যে পজিটিভিটি ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করা সম্ভব। তিনি বুঝিয়েছেন যে সত্য ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে এই সমাজে মিথ্যা কে ঢেকে দেয়া সম্ভব।

একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে আরিয়ান আহমেদ বিশ্বাস করেন সফলতার কোন শর্টকাট পথ নেই। মানুষ নিজের সততা, একাগ্রতা, কাজ এবং পরিশ্রম দিয়ে সফল হয়ে উঠে। যেখানে মানুষের কাজের কোনো সত্যতা নেই সেখানে কাজের প্রকৃত সম্মান পাওয়া যায় না। এবং প্রকৃত সফলতা পাওয়া যায় না। তাই প্রতিটি মানুষের সততা ঠিক রেখে কাজ করা উচিত। পরিশ্রম মানুষকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যায়। সততাকে সঠিক রেখে ধৈর্যকে পাশে রেখে পরিশ্রম করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়া একান্ত কাব্য।

সবার উদ্দেশ্যে আরিয়ান বলেন, নিজের ইচ্ছার বাহিরে কোন কাজ করতে যেও না এতে তোমার অসাফল্য আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।তুমি তোমার ইচ্ছা অনুযায়ী পরিশ্রমকে ছোট করে লক্ষ্য কে বড় করে সফলতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তোমার নিজেকে আবিষ্কার করো। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত কর সবার মাঝে কঠোর পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি। মোঃ মুরসালীন আহমেদ-এর এর বাণী গুলো প্রতিটি তরুণকে জাগ্রত করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে।

আরিয়ান আহমেদের কাছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি জানান, এগোতে হবে বহুদূর। তিনি বুঝিয়েছেন যে আমরা যে অবস্থায় থাকি না কেন সকলেরই একটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু পরিকল্পনা করলেই হবে না পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে ততক্ষণ পর্যন্তই থামবো না যতক্ষণ না পর্যন্ত আমি আমার সফলতার চূড়ায় না পৌছাই।

Print Friendly, PDF & Email