বরগুনর আমতলী বাজারে নকল প্রসাধনী পন্যে সয়লাব।

আল নোমান আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১:২২ পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০২১ | আপডেট: ১:২২:পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০২১
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে পুঁজি করে আমতলী উপজেলা শহরে নকল প্রসাধনী পন্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। নকল প্রসাধনী পন্য কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। বরগুনা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না এমন অভিযোগ ক্রেতাদের। এতে বেশী প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা। দ্রুত এর বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন তারা।
জানাগেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরকে পুঁজি করে আমতলী উপজেলা শহরের কিছু অসাধু কসমেটিক্স ব্যবসায়ী বেশী মুনাফার আশায় নকল প্রসাধানী পন্য বিক্রি করছেন। ক্রেতারা নকল পন্য সনাক্ত না করতে পেরে প্রতারনার স্বীকার হচ্ছেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন কর্মকান্ডে বরগুনা জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করছেন না বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল প্রসাধনী পন্য দেদারসে বিক্রি করছেন। দ্রুত এ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন প্রতারনার স্বীকার ক্রেতারা। ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, আমতলী আব্দুল্লাহ মার্কেটে মদিনা কসমেটিক্স ও হাসান সাজঘরসহ প্রায় কসমেটিক্স দোকানেই নকল প্রসাধনী পন্য রয়েছে। ওই দোকান থেকে পন্য কিনে মানুষ প্রতারনার স্বীকার হচ্ছেন।
ক্রেতা বিলকিস বেগম ও আয়শা বলেন, মদিনা কসমেটিক্স ও হাসান সাজঘর থেকে ব্রান্ডের লেভেল লাগানো ¯েœা, পাউডার ও লিপিস্টিক কিনেছি। ¯েœা ব্যবহারের পরপরই মুখমন্ডল ব্রোনে ভরে গেছে।
আরেক ক্রেতা হাসিনা, তহমিনা ও ফোকরা বেগম বলেন, পুরাতন বাজারের কয়েকটি দোকান থেকে লিপিস্টিক, পাউডার ও ¯েœা কিনেছি তা ব্যবহার অযোগ্য।
খোজ নিয়ে জানাগেছে, আমতলী পৌর শহরের আব্দুল্লাহ মার্কেট, পুরাতন বাজার ও বাঁধঘাট এলাকায় অধিকাংশ কসমেটিক্স দোকানে নকল পন্যে সয়লাব। ওই দোকানগুলোতে রয়েছে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা মার্কেটের নি¤œমানের কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি নকল পন্য। এদিকে নকল পন্যে ব্রান্ডের লেভেল লাগিয়ে অহরন বিক্রি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল মোনায়েদ সাদ বলেন, নি¤œমানের কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি নকল প্রসাধনী ব্যবহার অত্যান্ত ক্ষতিকর। এ পন্য ব্যবহারে উচ্চ সংবেদনশীল ত্বকের প্রতিক্রিয়া এবং ত্বক পুড়ে যেতে পারে। সকলকেই এ সকল পন্য বর্জনের দাবী জানান তিনি।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরগুনা সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম বলেন, অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমতলীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email