বরগুনার আমতলীর ঈদবাজারে উপচে পড়া ভীর।

আল নোমান আল নোমান

বরগুনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১:১৯ পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০২১ | আপডেট: ১:২০:পূর্বাহ্ণ, মে ৯, ২০২১
 
প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস উপেক্ষা করে আমতলী উপজেলার ঈদ বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীর। বিপনী বিতান, কসমেটিক্স ও পোশাকের দোকানে ঠাসাঠাসি করে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করছেন। ক্রেতাদের মাঝে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক নেই। উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি।
জানাগেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস রোধে সরকার গত ৫ মার্চ সারাদেশ ব্যাপী লকডাউন ঘোষনা করেন। এ লকডাউন অব্যাহত আছে। কিন্তু আমতলী উপজেলা প্রশাসন লকডাউন পালনে তেমন কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছে না এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। এই সুযোগে ১৫ রমজান থেকে সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে মানুষ ঈদ বাজারে উপচে পড়া ভীর জমিয়েছেন। তাদের মাঝে প্রাণঘাতী করোনার আতঙ্ক নেই। বিপনী বিতান, কসমেটিক্স ও পোশাকের দোকানে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্রেতারা উপচে পড়া ভীর করলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি মানতে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই কেনাকাটা করছেন। এতে উপজেলা শহরে করোনার ঝুঁকি বেড়েই চলছে। দ্রুত এর বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের কাছে দাবী জানিয়েছেন আমতলী পৌর নাগরিক ফোরামের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুল হোসেন বিশ^াস।
শনিবার আমতলী পৌর শহরের বাজার ঘুরে দেখাগেছে, বিপনী বিতান, কসমেটিক্স ও পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের রয়েছে উপচে পরা ভীর। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই তারা কেনাকাটা করছেন। এতে উপজেলা প্রশাসনের নজর দাবী নেই।
ক্রেতা আল আমিন, জহিরুল ও আয়নাল বলেন, উপজেলা শহরের সকল দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীর। দোকানগুলোতে ঠেলাঠেলি করে প্রবেশ করতে হয়। স্বাস্থ্যবিধি কেহই মানছেন না। এতে করোনা ঝুঁকি বেড়েই চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকান কর্মচারী বলেন, ক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই দোকানগুলোতে ভীর করছে। চেষ্টা করেও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে পারছি না। এদের মাঝে করোনা আতঙ্ক নেই।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করবে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email