পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৪০:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০১৮

সরকার গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটির সাথে পাবর্ত চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। চুক্তির (ক) (৩) অনুচ্ছেদেরশর্ত অনুযায়ী চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পরিবীক্ষণ করার লক্ষে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এমপিকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

গত ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ ক্রমপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রীভা চাকমা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পুনর্গঠনের কথা জানানো হয়।

এর আগে ২০০৯ সালের ২৫ মে জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছিল।

নতুন পুনর্গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে আগের ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি শ্রী জ্যোতিরিন্দ্র বোধি প্রিয়লারমা এবং টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লালত্রিপুরাএমপিকে সদস্য হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির কার্য পরিধি হবে-এই চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াপরিবীক্ষণ ও তত্ত্বাবধান, এই চুক্তির আওতায় অস্ত্র সমর্পণসহ ক্ষমা প্রদর্শন সংক্রান্ত যাবতীয়কার্যাদি নিষ্পন্ন করার জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন, চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগসহ অধ:স্তন সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ব শাসিত সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের কর্ম তৎপরতার মধ্যে সমন্বয়সাধন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ/নির্দেশনা প্রদান, চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সমস্যাদি সমাধানকল্পে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনবোধে সরকারের নিকট সুপারিশ প্রদান, শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম তত্ত্বাবধান এবংঅভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম তত্ত্বাবধান।

এতে আরও বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। সকাল মন্ত্রণালয়/বিভাগ বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা প্রতি পালন করবে এবং তদানুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন বোধে বাস্তবায়ন কমিটি সাব-কমিটি গঠন করতে পারবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানসহ এ সংক্রান্ত সকল ব্যয় বহন করবে। এই কমিটি অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।