অসহায় শিশুর চোখের ছানি অপারশেন করালেন পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন

প্রকাশিত: ৩:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১ | আপডেট: ৩:০৮:অপরাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২১

“ঝালকাঠি শহরের বসুন্ধরা রোডের শ্রমজীবী আব্দুল লতিফ হাওলাদারের শিশু পুত্র তানভীন’র বেশ কয়েকমাস ধরে চোখে ঝাপসা দেখে। চোখ থেকে অঝোরে পানিও ঝড়তে থাকতো। হাটতে গেলেও চোখে ঠিকমতো না দেখতে না পারায় বারবার হোচট খেয়ে পড়ে ব্যাথা পেতো এবং জখমও হতো। শ্রমজীবী লতিফ তার শিশুপুত্র তানভীনকে নিয়ে পড়েন মহাবিপদে। একদিকে অর্থাভাবে টানাপোড়েন, অপরদিকে শিশুপুত্রের চোখে সমস্যায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে হতাশাগ্রস্তহন। বাসার কাছাকাছি ঝালকাঠির পুলিশ সুপার এর কার্যালয়ের অবস্থান। সহায়তার জন্য দ্বারস্থ হন পুলিশ সুপারের কাছে। পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন অসহায় লতিফের কাছ থেকে পুরো বিষয়টা শুনে শিশু তানভীনের চোখের যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। গত ২১ জানুয়ারী ঢাকার ফার্মগেটস্থ ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে শিশু তানভীনের সফল অপারেশন সম্পন্ন হয়। চিকিৎসকের দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক পরিচর্যায় ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে এখন স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে তানভীন। সেই স্বাথে স্বস্তির নিশ^াস ফেলছে আর পুলিশ সুপারের জন্য দোয়া করছেন লতিফ দম্পতিসহ তাদের আত্মীয় স্বজন।” পুরো বিষয়টা শ্রমজীবী আব্দুল লতিফ প্রতিবেদকে এভাবেই বর্ণনা করেন।
ঝালকাঠি পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন জানান, “লতিফের পুত্র তানভীরের বয়স সাড়ে ৩ বছরের মতো হবে। চোখে ছানি পড়ায় খুবই অসহায় অবস্থায় ছিলো। লতিফ আমার কাছে এসে বলায় আমি মানবিক দিকে তাকিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি। আল্লাহ আমাকে সামর্থ দিয়েছে আমি সাহায্য করেছি। দানের নিয়ম হলো ডান হাতে দিলে বাম হাতে দিবে না, কিন্তু তানভীনের বিষয়টা তো আমি কাউকে জানাইনি।”