বাবুগঞ্জের কেদারপুরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুম মৃধায় ভরসা নেতাকর্মীর !

আরিফ হোসেন আরিফ হোসেন

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১ | আপডেট: ৩:৩৫:অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০২১

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি॥ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কেদারপুর ইউনিয়নে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কাল থেকে বর্নাঢ্য আওয়ামী রাজনীতির স্বাক্ষি মৃধা পরিবারে সন্তান মাহাবুব আলম মাসুম মৃধার হাতে (নৌকা) প্রতীক সুরক্ষিত ও দলের সুনাম অক্ষত থাকবে বলে তৃন্যমূল নেতাকর্মীসহ ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের পদধারি নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইসির ঘোষনা অনুযায়ী প্রথম ধাপেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ইউনিয়নের নির্বাচন।

নির্বাচনে নেতাকর্মীদের চাওয়ার প্রতিফলন ঘটাতে উপজেলা আওয়ামীলীগের মাধ্যমে পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক(মন্ত্রী পদমর্যাদা), বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আব্দুল্লার কাছে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী মনোনয়ন চেয়ে আবেদন জমা দিয়েছেন কেদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম মাসুম মৃধা। মাহবুব আলম মাসুম মৃধার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহনকারি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মকবুল আহম্মেদ মৃধা কেদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান ও পরে মৃত্যুর আগপর্যন্ত কয়েক যুগ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং সন্তান মাসুম মৃধা বাবার হাত ধরেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত হন বলে জানাযায়। ছাত্রজীবনে মাসুম মৃধা ১৯৯৮ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পান, পরবর্তীতে তার রাজনৈতকি দক্ষতায় ২০১২সালে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব বসানো হয়।
এদিকে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মানুষের দাবি আদায়ে সক্রিয় ভুমিকা রাখায় ও বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় ঘোষনা অনুযায়ী রাজনৈতিক প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহন করে আওয়ামী রাজনীতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। সর্বশেষ করোনাকালে সাধ্য অনুযায়ী সাহাজ্য সহযোগীতা নিয়ে তিনি মানুষের পাশে দাড়িয়ে ইউনিয়ন বাসির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও হাটবাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে সরকারের উন্নয়ন প্রচারন এবং নির্বাচনে দোয়- সমার্থন চেয়ে গনসংযোগে ব্যাপক সারা ফেলেন তিনি।
তৃনমূল নেতাকর্মীরা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের দাবিদার মৃধা পরিবারের মাসুম মৃধা। কারন তার পরিবার এ অঞ্চলে আওয়ামীলীগের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেণ।
মাহবুব আলম মাসুম মৃধা বলেন, ‘ছাত্রজীবনে ১৯৯৩ সালে আবুল কালাম ডিগ্রী কলেজের বাকসু নির্বাচনে মহাসিন মুন্সির প্যানেলে সরাসরি অংশগ্রহণ করি। ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি-জামায়াত সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের লাগাতার হরতাল সফল করা এবং বিএনপির রহমতপুর অফিস ভাঙ্গার কারনে মাসের পর মাস পুলিশি হয়রানিতে বাড়িতে ঘুমতে পারিনি।
৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬ ছয়দফা, ৬৯ এর গনঅভ্যুত্থানে, ৭১এর মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সব প্রয়োজনে এখন পর্যন্ত আমার পরিবারের তিন পুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর বিশ্বাস রেখে ও দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী লীগের একমাত্র অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হাত ধরে আমার পরিবার ও আমি রাজনীতি করে আসছি। ২০১৬ সালে ইউপি নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চেয়েছিলাম। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও তখন দলের সীদ্ধান্ত মেনে নিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করি।
আমি আশাবাদি দল আমাকে এবার নৌকার মনোনয়ন দিয়ে মুল্যায়ন করবে। আমি নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী লীগের একমাত্র অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হাতকে শক্তিশালী ও কেদারপুর ইউনিয়ন বাসির ভাগ্য উন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দেব’।