বরিশাল শেবাচিমে এ কেমন মাস্তানি

প্রকাশিত: ২:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০১৮ | আপডেট: ২:২১:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০১৮
বরিশাল শেবাচিমে এ কেমন মাস্তানি

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ । এমন তথ্য জানিয়েছেন ওই স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের এ্যকাউন্ট সেকশনের স্টাফ পরিচয় দানকারি সোহাগ । গতকাল শনিবার ঐ হাসপাতালের ৪র্থ তলায় মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে এই ঘটনা বলে । অপরদিকে হাসপাতাল পরিচালক ডাঃ মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশ করতে পরবে না এমন কোন নির্দেশ তিনি দেয়নি । এমনকি সোহাগ নামে ঐ শাখায় কেউ কর্মরত রয়েছে কিনা তা তার জানা নাই । তবে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলে তদন্ত পূর্বক আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে । সরেজমিনে গতকাল নাসরিন সুলতানা (২২) নামের এক নারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য সংগ্রহ কারার মধ্যে দিয়ে এসব তথ্য প্রতিয়মান হয়েছে । নাসরিন সুলতানার বড় ভাই মেহেদি হাসান ও ছোট বোন আরিফা বলেন, নলছিটি উপজেলার গোয়ালকাঠী গ্রামের তারিকুল ইসলামের সাথে প্রায় এক যুজ পূর্বে একই গ্রামের নাসরিন সুলতানার বিয়ে হয় । বিবাহর পর থেকেই স্বামীর নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নাসরিন । স্বামীর নির্যাতন থেকে চিরজীবন বিদায় নেওয়া জন্য গতকাল বিষপানে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেয় সে । পরে আশংকাজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । তথ্য সংগ্রহকালে নাসরিনের স্বজনদের কাছে জানতে চাওয়া হয় । রোগীকে কউ জোর পূর্বক বিষ পান করিয়েছে । নাকি সে আত্মহত্যা করতে চেয়েছে । নাসরিনের ভাই -বোন উপরোক্ত কথা ব্যক্ত করেছেন । এমন তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদক তাদের দুই জনকে বলেন, নির্যাতনের জন্য আত্মহত্যার চেষ্টা না করে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন । এমন সময় ঘটনা স্থানে চলে আসেন হাসপাতালের স্টাফ পরিচয়দানকারী সোহাগ । একইসাথে তিনি নাসরিনের খালাতো ভাই বলে দাবী করে প্রতিবেদককে উপরোক্ত ওই সব কথা ব্যক্ত করার পাশাপাশি নানা হুমকি দেন । অন্যদিকে নাসরিনের শশুর আঃ মান্নান হাওলাদার জানায়, গত ১৬ জানুয়ারি স্কুলে ভর্তি হওয়ার কথা বলে সকাল ১০ টার দিকে বাসা থেকে বেড়িয়ে যায় নাসরিন । কিন্তু সে ভর্তি না হয়ে তার পরের দিন অর্থাৎ ১৭ জানুয়ারি স্বামীর বাসায় আসে । এমন ঘটনায় নাসরিন স্বামীর পরিবারের প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে । নাসরিনের স্বামী তারিকুল ইসলাম জানায়, গ্রাম থেকে শহরে (ঢাক) নেয়ার জন্য নাসরিনকে চাপ দিলে সে আত্মহত্যা চেষ্টা করে । হাসপালের এক সূত্র জানায়, সোহাগ হাসপাতালে চাকুরী করার পরিচয় দিয়ে রোগীর দালালী কাজে লিপ্ত থাকে । আর সুন্দরি নারী দেকলেই তা তার আত্নীয় পরিচয় দিয়ে সহযোগীতা করে ।