সাংবাদিকরা জাতীর বিবেক || সংবাদপত্র গণমানুষের কন্ঠের প্রতিধ্বনি

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৯:২৬:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০১৮

সাংবাদিকের মুখ্য ও পবিত্র দায়িত্ব হলো চলমান ঘটনা ও বাস্তবতাকে তুলে ধরা।সত্যনিষ্ঠা ও নীতিবোধ নির্ভর করে সাংবাদিকের দৃষ্টিভঙ্গি, মন-মানসিকতা ও নৈতিকতার ওপর। অসৎ ও দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা এ পেশার জন্য যেমন ক্ষতিকর, তেমনি সমাজ, দেশ ও জাতির জন্যও ক্ষতিকর। বাংলাদেশে তথ্য অনুসন্ধানে সত্যের পক্ষে সাংবাদিক, লেখক-সাংবাদিক কারো দুশমন নয়। সাকুল্য অর্জনের পরও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। সাংসারিক চাপ, রাষ্ট্রিয়, রাজনৈতিক নেতা, সন্ত্রাস ও মাফিয়া চক্রের চাপ ছাড়াও বিবেকের চাপ সবার উর্দ্ধে । নাই সংসার ভবিষ্যৎ মুত্যুর পর সম্মান আর ইজ্জত । অনেক স্বনামধন্য সাংবাদিক মরতে হয়েছে রাজপথে। সংবাদপত্রকে সমাজ বা জাতির দর্পণ বলা হয়। চলমান জীবন, দেশ ও বিশ্বের একটি চিত্র প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় ফুটে ওঠে। আয়নায় দেখা নিজের চেহারার মতো প্রতিবিম্ব সংবাদপত্রে চলমান জীবন, সমাজ, রাষ্ট্র ও বিশ্বের চিত্র ভেসে ওঠে। সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাজ গঠনে সহায়তা করে। মানুষকে সচেতন করে তোলে। দুর্নীতিবাজ ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িতরা আতঙ্কে থাকে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভয়ে তারা দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়। শোষণ, জুলুম, নির্যাতনের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিকরা সোচ্চার থাকেন। সাংবাদিকদের মেধা, মনন, মানবতাবোধ থেকে উৎসারিত হয় সত্যনিষ্ঠা, নীতিবোধ ও দেশপ্রেম। তাই এসব গুণের অধিকারী সাংবাদিককে বলা হয় জাতির বিবেক।
সাংবাদিক সত্য প্রকাশের মাধ্যম মাত্র। ভাল-মন্দ, খারাপ-ভালো, বিবেক চেতনা শক্তির ফসল। কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় জাতির বিবেককে হত্যা করার ঘটনা শত শত ঘটছে। উন্নত বিশ্বের সংবাদপত্রকে ফোর্থ এষ্টেট হিসাবে গন্য করা হয়। সংবাদপত্র গণমানুষের কন্ঠের প্রতিধ্বনি। সরকার স্বয়ং বা সরকার সমর্থিত দল বিরোধী দল, চোরাচালানকারী, নেশার সম্রাট, মাফিয়া চক্র, এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি, নারীর পক্ষপাতিত্ব চাপ এবং ব্যক্তিগত আক্রোশে ও সাংবাদিককে অবহেলা করা হচ্ছে