কলাপাড়ায় স্লুইস গেট থেক প্রচুর লবন পানি প্রবেশ করায় বোরো চাষ ক্ষতির মুখে শতশত কৃষক ॥

প্রকাশিত: ১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০ | আপডেট: ১:৫৬:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি  ঃ  কলাপাডার নীলগঞ্জ
ইউনিযনের পূব গৈযাতলা গ্রামের ৪৬ নং পোল্ডারের স্লুইস গেট থেকে প্রচুর
পরিমান লবণ পানি প্রবেশ করে বোরো মৌসুমের চাষকৃত নীলগঞ্জ ইউনিযনের হাজার
হাজার হেক্টর ফসলি জমি পতিত হওযার শংকায় চিন্তিত কৃষকরা। রবিবার বাংলাদেশ
কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ ইউনিযন শাখার সদস্যরা স্লুইস গেটের কাছে মিলিত হয়ে
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান। কৃষকরা দাবি করেন, কপাট গুলো যাতে লোহার
লাগানো হয় এবং কতিপয় সার্থান্যাশী মাছ শিকারী যাতে লবন পানি ওঠাতে না
পারে সেই ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন কে কৃষকের সার্থ
রক্ষার জন্য ব্যাবস্থা নেয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।

এসময় কৃষকরা আরো বলেন, নীলগঞ্জ ইউনিযনের কোন স্লুইজের দরজা ঠিক নেই,
প্রতিটি স্লুইজ থেকেই লবণ পানি প্রবেশ করে বোরো মৌসুমসহ আমন মৌসুমে ফসলি
জমি ধ্বংস হওযার ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। পুব গইয়াতলা স্লুইজের দরজা না থাকার
কারনে লবন পানি ঠেকাতে কৃষকরা নিজেদের অর্থায়নে কাঠের পাটাতন দিয়ে দরজা
নির্মান করেন। কিন্তু কতিপয় মাছ শিকারী দুর্বৃত্ত রাতের আধারে কাঠের
পাটাতন সরিয়ে লবন পানি উঠিয়ে মাছ শিকার করে। এরফলে কৃষকদের বোরো চাষ করতে
অনেক সমস্যা দেখা দিয়েছে।

এবিষয়ে স্লুইচ কমিটির সভাপতি মো: শাহজাহান শিকদার অভিযোগ করে বলেন,
স্থানীয় আলাউদ্দিন শিকদার, কুদ্দুস গাজী, দেলোয়ার গাজীরা মিলে এই
স্লুইইসে মাছ ধরে এবং লবন পানি উঠিয়ে কৃষক দের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।

অভিযুক্ত আলাউদ্দিনের কাছে এ প্রতিবেদক জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার
করে তিনি বলেন,  আমি কৃষকের পক্ষে, কৃষকের ক্ষতি হয় এমন কাজে আমি
সম্পৃক্ত নই, স্লুইস উম্মুক্ত থাকবে এ ব্যাপারে আমি কৃষককে সকল প্রকার
সহযোগীতা করবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী খান মো: উলিউজ্জামানের সাথে
যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রতি বছর স্লুইস সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ
চেয়েও বরাদ্ধ পাওয়া যায়না। বরাদ্ধ এলে দ্রুত স্লুইস সংস্কার করা হবে এবং
শীঘ্রই স্লুইস গেটগুলো পরিদর্শন করে কোন ধরনের সহযোগিতা করা সম্ভব হলে তা
তিনি করবেন।

Print Friendly, PDF & Email