ফেরত এলো ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ভারত থেকে ১৭ জন

প্রকাশিত: ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০ | আপডেট: ১:৪৯:পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২২, ২০২০
মোঃ আইয়ুব হোসেন পক্ষী, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরল ১৭ নারী।
রোববার (২০ডিসেম্বর) ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ফেরত নারীরা দুই বছর পর্যন্ত ভারতে জেল খেটেছে বলে ভুক্ত ভোগিরা জানায়। ফেরত নাগরিকেরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
নড়াইল জেলার শওকত শেখ এর মেয়ে খাদিজা খাতুন, পারভেজ মোল্যার মেয়ে পলি খাতুন, তরফু মোল্যার মেয়ে বিউটি খাতুন, তোতা মোল্যার মেয়ে রুনা বেগম, বখতিয়ার রহমান এর মেয়ে রুমানা খাতুন, সালমন মোল্যার মেয়ে সেফালি বেগম, আমির আলীর মেয়ে তহমিনা খাতুন।
বাগেরহাট জেলার আব্দুর রশিদ এর মেয়ে মরিয়ম খাতুন, মুজিবুর রহমান এর মেয়ে তানিয়া খাতুন৷
যশোর জেলার আব্দুল লতিফ এর মেয়ে ফাতেমা খাতুন, কাশেম আলী খার মেয়ে আফরোজা খাতুন, মুক্ত ফরিক এর মেয়ে সনিয়া বেগম।
চাদপুর জেলার সফিক মোল্যার মেয়ে রুমা বেগম, চুয়াডাঙ্গা জেলার মহিন আলীর মেয়ে রহিমা খাতুন, পটুয়াখালী জেলার নাসির সিকদার এর মেয়ে নাসরিন বেগম, সুনামগঞ্জ জেলার মোকারম আলীর মেয়ে শিল্পী বেগম, খুলনার ছলেমান হোসাইন এর মেয়ে আসমা খাতুন। এদের সকলের বয়স ২০ থেকে ২৮ বছর এর মধ্যে।
বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, ফেরত আসা নারীরা পাসপোর্ট ছাড়া বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতের পুনে শহরে বিভিন্ন কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশ এর কাছে আটক হয়। এরপর আদালতের মাধ্যেমে তারা জেলে যায় । পরে রেসকিউ ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা তাদের নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। এরা সেখানে ২ বছর থাকার পর দেশে এসেছে ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে। ইমিগ্রেশন এর আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার এস আই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এরা দালালদের খপ্পরে পড়ে ভাল কাজের আশায় ভারত যায় সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ ভাবে। এরপর তারা সেদেশের পুলিশ এর কাছে আটক হয়। দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় চিঠি চালাচালির এক পর্যায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে আজ তারা দেশে ফেরে। থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে এদের জাস্টিস কেয়ার ও যশোর রাইটস নামে দুটি এনজিও সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে।
যশোর রাইটস এর এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর আব্দুল মুহিত বলেন থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে যশোর নেওয়া হবে। পরে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email