এসইউপি এর পয়ঃবর্জ্য ব্যস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৪, ২০২০ | আপডেট: ৫:১৩:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৪, ২০২০

মো. বাকী বিল্লাহ খান পলাশ

‘সবাই মিলে শপথ করি, পরিচ্ছন্ন শহর গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে আদমপুর সিআরটিসি সভা কক্ষে সোসাইটি ফর আরবান পুওর (এসইউপি) ফরিদপুরের আয়োজনে আজ সোমবার পয়ঃবর্জ্য ব্যস্থাপনা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোসাইটি ফর আরবান পুওর (এসইউপি) এর চেয়ারপার্সন মো. বিলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে এতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মো. পলাশ খান, আনম বজলুল হাদী সাব্বিরসহ প্রমুখ। এ.কে.এম. জিয়াউর রহমানের স লনায় সভায় অতিথি ছিলেন আভার নির্বাহী প্রধান এনজিও ব্যক্তিত্ব সুরেশ চন্দ্র হালদার। শুভেচ্ছা ব্যক্তব্যে মো. বিলায়েত হোসেন বলেন, টয়লেটের বর্জ্য এক সময় এটি ছিল ঘৃনার ও অপাংতেয় বস্তুু যা এখন একটি গুপ্তধনে পরিণত হয়েছে। যার পুনঃব্যবহারের উপকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা আমাদের অজানা। পাশাপাশি আমাদের বাসা-বাড়ীতে প্রতিদিন রান্নাঘরে যে বর্জ্য তৈরি হচ্ছে তারও পুনব্যবহার করে উৎপাদিত জৈব সার শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে যার গুরুপ্ত অপরিসীম। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় মাটির মোট পরিমাণের ৫ শতাংশ

 

জৈবঅংশ থাকা প্রয়োজন অথচ আমাদের রয়েছে এক শতাংশেরও কম। এসডিসি এর প্লান্ট ব্যবস্থাপক বিপ্লব এর তথ্য মতে প্রতিদিন জেলার ৫৬২৭ টি পরিবার থেকে ১৫ থেকে ২০ টন বর্জ্য সংগ্রহ করে তার মধ্য থেকে ১টন বর্জ্য রিসাইক্লিং করে জৈব সার প্রস্তুতে ব্যবহার করা হয়। অপরদিকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ হাজার লিটার পয়ঃবর্জ্য সংগ্রহ করে তার মধ্য থেকে ১ শতাংশ শুকিয়ে চূর্ন করে জৈবসার উৎপাদনের উপকরণ হিসাবে

 

ব্যবহার করা হয়। তিনি আরো বলেন, এসডিসি গত চার বছরে প্রায় ২৫ মেট্রিক টন জৈব সার তৈরি করেছে যা কৃষক পর্যায়ে বিক্রি ও বিতরণ করা হয়েছে এবং যা ‘সবুজ সার’ নামে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট খ্যতি ও পরীক্ষান্তে যা গাছের খাদ্য-পুষ্টি মান সনদ অর্জন করেছে। সভায় মো. পলাশ খান বলেন, রান্নার বর্জ্য এবং পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এতদ আলোচনাসভা এবং তার প্রচার আরো অধিক হওয়া একান্ত জরুরি। আনম ফজলুল হাদি

 

সাব্বির পরিবেশ সুরক্ষায় পৌরসভার ড্রেন এবং পানির উৎসের সাথে সেপটিক ট্যাংক এবং পিট টয়লেটের অবৈধ সংযোগ দেয়া থেকে বিরত থাকতে সম্মানিত পৌরবাসীর প্রতি আহবান জানান। সুরেশ চন্দ্র হালদার বলেন, এজাতীয় প্লান্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিরল এবং এদেশের কয়েকটি জেলায় ইতিমধ্যে স্থাপিত হলেও ফরিদপুরের প্লানটি সর্ববৃহৎ এবং অধিক উৎপাদন ক্ষমতা সম্পূর্ন। তিনি এ জাতীয় কাজে সক্রিয় সহযোগীতার জন্য ফরিদপুর পৌরসভাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সভাপতির বক্তব্যে মো. বিলায়েত হোসেন এ কার্যক্রমটির ব্যাপক প্রসারে সকলের আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেন। সভাশেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ পয়ঃবর্জ্য ব্যস্থাপনা বিষয়ক প্লানটি ঘুরে দেখেন।

Print Friendly, PDF & Email