ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা রিজভী ৩দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত: ৫:০৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১০, ২০২০ | আপডেট: ৫:০৩:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১০, ২০২০

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য,১৪ দলের সমন্বয়ক ও ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য
আমির হোসেন আমু এমপি ও তাঁর মেয়েকে নিয়ে ফেসবুক মেসেঞ্জাওে আপত্তিকর কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার হওয়া জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমীন রিজভীকে ৩দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার তাকে থানায় ডেকে নিয়ে বুধবার দুপুরে রাতে গ্রফতার দেখিয়ে বিকেলে আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বৃহষ্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য কওে আসামীকে কারগাওে প্রেরণের আদেশ দেন আদালত। বৃহষ্পতিবার ধার্য তারিখে শুনানী শেষে রিজভীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক তারেক শামস।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত ৬জুন ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত পিপি আ স ম. মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নামধারী একজন ও অজ্ঞাত ৩/৪ জ কে আসামী করে মামলা (নং-৭) দায়ের করেন। মামলায় প্রত্যক্ষদর্শী সদর উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান(মহিলা) ইসরাত জাহান সোনালীকে সহ কয়েকজনকে স্বাক্ষী করা হয়। পরের দিন ৭ডিসেম্বও উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক হযরত আলী তদন্তকালে প্রধান স্বাক্ষী ইসরাত জাহান সোনালীর জবানবন্দী গ্রহনকালে তিনি আ’লীগ নেতা রিজভীর নাম প্রকাশ কনে।
সূত্র আরো জানায়, তাৎক্ষণিক পুলিশ রিজভীর খোঁজে নামলে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন জানতে পেরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাকে জরুরী ভিত্তিতে ঝালকাঠী থানায় যোগাযোগ করতে বলা হলে পরদিন ৮ডিসেম্বর তিনি থানায় উপস্থিত হলে তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ডিবি পুলিশ ভাইসচেয়ারম্যান সোনালীর দেয়া তথ্য ও মামলার বিষয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তার মোবাইল ফোন ও ফেইসবুক আইডি তল্লাশী করে দায়েরকৃত মামলায় তার সম্পৃক্ততা পেয়ে রাত সাড়ে ৯টায় থানায় সোপর্দ করা হয়। পরের দিন ৯ ডিসেম্বর বুধবার বিকেল সোয়া ৩টায় জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন রিজভীকে আদালতে হাজির করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত ১০ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য করে আসামীকে কারাগাওে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বৃহষ্পতিবার শুনানী শেষে আদালতের বিচারক তারেক শামস ৩দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।