সাওদা হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আসামির যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: ২:০১ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৩, ২০২০ | আপডেট: ২:০১:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৩, ২০২০

বরিশাল বি’শ্ববিদ্যালয়ের (ববি) হিসাববিজ্ঞান বিভা’গের শিক্ষার্থী সাওদা বেগম হত্যা মা’মলার আসামি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র রাসেল মিয়ার মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যা’বজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। একই স’ঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসে’র কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দীর্ঘ শুনানি শেষে সো’মবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বি’চারপতি এ, এস, এম আবদুল মোবিন-এর দ্বৈত বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স এবং আ’পিল নামঞ্জুর করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্র রাসেলের সা’জা কমিয়ে এই রায় দেওয়া হয়।

আদালতে প্রাথমিক শু’নানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মা’হবুব হোসেন। পরবর্তীতে মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি করেন আইনজীবী মোহা’ম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম. মা’সুদ রানা, মো. আসাদ উদ্দিন ও মোহাম্মদ নোয়াব আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপু’টি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শু’নানিতে অংশ নেন।

মামলার ঘ’টনায় প্রকাশ, ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যা’লয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শি’ক্ষার্থী সওদা বিশ্ববিদ্যা’লয়ে যাওয়ার পথে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ঘটনার দিন হ’ত্যাকাণ্ডের শিকার সওদার মা সাহিদা বেগম বরিশাল কোতোয়ালি ম’ডেল থানায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বি’ভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল মি’য়াসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের বিরু’দ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে মা উল্লেখ করে’ন তার মেয়ে ও রাসেলের মধ্যে প্রে’মের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক কারণে সা’ওদা রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ফলে এই হ’ত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

২০১৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ আসামি রাসেল মিয়াকে গ্রেফতার করে। এক’ই দিনে আসামি রাসেল মিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূ’লক জবানবন্দি প্রদান করে। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল তদ’ন্তকারী কর্মকর্তা আসামি রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখি’ল করেন।

২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বরি’শালের বিজ্ঞ ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ এস এম না’সিম রেজা ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।

সব সা’ক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে ২০১৫ সালের ১ জুন আদালত আসামি রাসে’লকে মৃ’ত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রা’য়ের বিরুদ্ধে আসামি হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের ক’রেন। ২০১৯ সালের ৯ মে হা’ইকোর্ট বিভাগে আপিল শুনানি শুরু হয়। দী’র্ঘ শুনানি শেষে সোমবার (২৩ নভেম্বর) রায়ের জন্য দি’ন ধার্য করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email