চরফ্যাশনে জমি দখল নিতে হামলা লুটপাট,আসামীরা ঘুরছে প্রকাশ্যে!

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০ | আপডেট: ৭:০০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২০
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:চরফ্যাশন উপজেলার চর-মাদ্রাজ ইউনিয়নের মেয়াজান পুর ৯নং ওয়ার্ডে ৫একর ৩২ শতাংশ জমিসহ বাড়ি জবর দখলকে কেন্দ্র করে বাড়ির ওরকায়েতসহ প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের হামলায় ৪জন আহত হয়েছে। এসময় ইসমাইল মোল্লা (৭০) জাহানারা বেগম(৬০)নুর নাহার (২৬) ও সুমাইয়া সুমা(১৪) আহত হয়। তবে জাহানারা বেগম ও ইসমাইল মোল্লা গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় প্রতিপক্ষ গ্রুপের ১২জনকে আসামী করে ভুক্তভোগী পরিবার চরফ্যাশসন থানায় মামলা করলেও ঘটনার ৩দিনেও কোনো আসামী গ্রেপ্তার হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি। চরফ্যাশন আুপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ইসমাইল মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, আমার জমি দখল নিতে স্থানিয় একটি প্রতিপক্ষ গ্রুপ ওরকায়েত খলিলকে বসিয়ে তাদের দ্বারা আমাদের অত্যাচার নির্যাতন করছে। এছাড়াও হারুন মাস্টার ও তার ছেলের মদদে ওরকায়েত গ্রুপ দুঃসাহস দেখিয়ে আমার মেয়েদের নির্যাতন ও শ্লিলতাহানী করেছে। তিনি আরও জানান,গত
শুক্রবার(১৬অক্টোবর) দুপুরে জুমার নামাজের পরে আলমগীর তালুকদারের নেতৃত্বে বেলাল মাতাব্বর,আলতাফ মাতাব্বর,সাইফুল মাতাব্বর,হারুন মাস্টার,ফজলে রহমান তালুকদার,ইসমাইল রাঢ়ি,শফিজ উদ্দিন,শারমীন বেগম,শাহানাজ বেগম,নাছিমা বেগমসহ আরও অন্তত ১০/১২জন সন্ত্রাসীরা মিলে আমাদেও বাড়িতে অনধিকারে প্রবেশ করে আমাদের দেশিও ধারালো অস্ত্র,লোহার রড,হকিস্টিক,রামদা,বগিসহ লাঠিসোটা দিয়ে মারধর ও এলোপাথারি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় সন্ত্রাসীরা ঘরের আলমারী ভেঙ্গে টাকাপয়সা স্বর্ণালঙ্কারসহ জমির দলিলাদি নিয়ে যায় এবং ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুর্ণবিচুর্ণ করে দিয়ে যায়। ইসমাইল মোল্লার মেয়ে নুর জাহান আবেগাপ্লুত কন্ঠে বলেন, আমি ও আমার ছোট বোন সুমাইয়া সুমাসহ বাবা মাকে নির্যাতনের হাত থেকে উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীদল ঘরের ভিতরে আমাকে নিয়ে জামা কাপর ধরে টানা হেচঁরা করে
শরিরের স্পর্শকাতর স্থানে জোরর্পূক শ্লীলতাহানী করে করে। এসময় আমাদের ডাক চিৎকারে এলাবাসীসহ আমাদের পরিচিত স্বজনরা ছুটে আসলে সন্ত্রাসীদল কৌশলে পালিয়ে যায়। এ হামলায় সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইসমাইল মোল্লার হাতে ও মাথায় রক্তাক্ত কাটা ছেড়া ও জাহানারা বেগমের চোখে কোপের আঘাতে গুরুতর জখম হয়। এছাড়াও নুর জাহান বেগমের হাতে আঘাত করে এবং সুমাইয়া সিমুকে সন্ত্রাসীদল মারধর করে বলে ভুক্তভোগী পরিবারটি অভিযোগ করেন। আহতদের চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তবে ঘুরুতর আহদের বরিশালে রেফার্ড করার সম্ভাবনা রয়েছে। এঘটনায় হারুন মাস্টারকে
একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি। আলমগীর তালুকদারের ফোন বন্ধ থাকলে এলাকায় গিয়েও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এদিকে এঘটনায় মামলা হলেও ৩দিনেও আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হারুন মাস্টারসহ আলমগীর তালুকদার ও তাদেও সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের আত্মিয়ো
স্বজনদের বলে বেড়াচ্ছে তারা নাকি আমাদের দেখে নিবে এবং মামলা হামলা করে জর্জরিত করে দেয়ার হুমকিও ভয়ভিতি দিচ্ছে। মামলা ও আসামীদের গ্রেপ্তার প্রশঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শণকারী ও মামলার দায়িত্বে থাকা এসআ সুভাস ব্যানার্জী মুঠো ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বিকার কওে বলেন, জমি জমাকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামীদের তদন্ত পূর্বক  খুব শিগ্রই ব্যবস্থা নেয়া   হবে।