`করোনা যুদ্ধে আমরা সবসময় মানুষের পাশে থাকবো’: ডিসি বরিশাল

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০ | আপডেট: ১১:১৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

বরিশালবাসীকে নিরাপদে রাখতে  বরিশাল জেলা প্রশাসনের একীভূত কার্যক্রম দৃশ্যমান ও ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনাহারী মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন  জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান। 

বরিশাল জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার আগে থেকেই কঠোর অবস্থানে মাঠে নামে জেলা প্রশাসন। করোনা পরিস্থিতি শুরুর সময় থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগণকে সচেতনতার বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়ার রহমান। করোনা শনাক্তের পর সম্পূর্ণ বরিশাল জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই অদ্যাবধি জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপ ছিলো চোখে পড়ার মতো।

নাগরিক সমাজে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক কর্তব্যের বাইরে গিয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব ভূমিকায় থাকতে দেখা গেছে। তবে এসব কার্যক্রমে নগরবাসীর প্রথম শ্রেণির মানুষের মধ্যে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পশুরহাটে সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে বরিশাল জেলা প্রশাসন।

বরিশাল জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বলেন, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা সবসময় মানুষের পাশে থাকবো। কিন্তু সবার প্রতি অনুরোধ- দয়া করে সবাই ঘরে থাকুন। এই যুদ্ধে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে যদি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপদ থাকা যায়।

তিনি বলেন, পৃথিবীর কেউই এখনো জানেন না বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণে কার্যকর করণীয় কি হতে পারে। সংক্রমণ রুখতে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

তিনি আরও জানান, লকডাউন উপেক্ষা করে নদীপথে কিছু মানুষ ঢুকছে। সেটা প্রতিহত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা সবচেয়ে মুখ্য ব্যাপার। আইন বা পুলিশের ভয় দেখিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। লকডাউন কার্যকর করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, লকডাউনের পূর্বে কিছু মানুষ বাইরে থেকে বরিশালে প্রবেশ করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছি। তাদের কোয়ারান্টাইনে রাখার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ঈদের সময় ঢাকা এবং অন্যান্য জেলা থেকে এখানে মানুষজন আসেন। তাদের স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া নিয়ম মেনে চলাফেরা করতে হবে। শুধু বরিশালকে নিয়ন্ত্রণ করলে হবে না। ঢাকার সদরঘাট নিয়ন্ত্রণ না করলে বরিশালে রোগী বৃদ্ধি পেতে পারে। এটা যদি আমরা সম্মিলিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তাহলে সামনে ভয়ানক দিন অপেক্ষা করছে। কুরবানির পশুর হাটের ব্যাপারে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তবে এবারের পশুরহাট পরিচালনা বিগত দিনের মতো হবে না। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আমরা পশুরহাট ব্যবস্থাপনা নতুন করে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। এ ব্যাপারে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই যথাযথ পদক্ষেপ সবার নজরে আসবে।

Print Friendly, PDF & Email