“রিজেন্ট সাহেদের” কাছে থেকে অনেক তথ্যের সন্ধান লাভ, আজই তাকে ডিএমপিতে হস্তান্তর করবে র‌্যাব

এ আল মামুন এ আল মামুন

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৮:০৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০ | আপডেট: ৮:০৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০

প্রিয়াংকা ইসলাম : করোনার নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার মো. সাহেদের কাছে ‘অনেক তথ্য’ পেয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়ার ” রিসেন্ট শাহেদ ” খ্যাত প্রখ্যাত প্রতারক, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আজই (বুধবার, ১৫ জুলাই) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বুধবার বিকালে র‍্যাব সদর দফতরে বাহিনীর মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি ডিএমপি তদন্ত করছে, তাদের কাছে আজই সাহেদকে হস্তান্তর করা হবে।’

বুধবার বিকালে র‍্যাব সদর দফতরে বাহিনীর মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি ডিএমপি তদন্ত করছে, তাদের কাছে আজই সাহেদকে হস্তান্তর করা হবে।’
এর আগে বুধবার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামের লবঙ্গবতী নদীর তীর সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

কোমরপুর সীমান্ত দিয়ে নৌকায় করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তিনি জিন্সের প্যান্ট ও নীল রঙের শার্টের ওপর কালো রঙের বোরকা পরে ছিলেন। সাহেদ গ্রেফতার এড়াতে গোঁফ কেটে ফেলেছিলেন, সাদা চুল কালো করেছিলেন। গ্রেফতারের পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে সাহেদকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর উত্তরায় তাকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে রিজেন্ট সাহেদের আটকের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে র‌্যাব। এ সময় সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণার কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন এবং কীভাবে তাকে ধরা সম্ভব হল সেই বিস্তারিত তথ্য দেন র‌্যাব ডিজি।

র‌্যাবের মহাপরিচালক বলেন, সে (সাহেদ) করোনা পরীক্ষার রিপোর্টের নামে প্রতারণা করছিল। এখন পর্যন্ত ১০ হাজারের অধিক করোনা পরীক্ষা করে ৬ হাজার ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে সাহেদের প্রতিষ্ঠান।

তিনি বলেন, বিনামূল্যে পরীক্ষা করার কথা থাকলেও ৩৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা করে নেয়া হতো এবং পুনরায় পরীক্ষার জন্য ১০০০ গ্রহণ করতো। আইসিইউতে ভর্তি করে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করতো। একদিকে রোগীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে, আরেক দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে বিলও জমা দিয়েছে সাহেদের হাসপাতাল রিজেন্ট।