বীরগঞ্জে ৫ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষন, ধর্ষক খালু পলাতক, থানায় মামলা দায়ের

এন.আই.মিলন এন.আই.মিলন

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২:০১ পূর্বাহ্ণ, মে ৩১, ২০২০ | আপডেট: ২:০১:পূর্বাহ্ণ, মে ৩১, ২০২০

এন.আই.মিলন, প্রতিনিধি-  দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ঈদের দাওয়াত খেতে গিয়ে ৫ম শ্রেনীর ১ স্কুল ছাত্রীকে বাড়ীতে একা পেয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে নিজ খালু। থানায় মামলা দায়ের, লম্পট খালু সাত্তার পলাতক।

উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সাতোর ইউনিয়নের চকপাতলা গ্রামের পাবনাপাড়ার আজিম উদ্দিনের পুত্র গরুর দালাল সালামের ভাই লম্পট আব্দুস সাত্তার ঈদের পরের দিন (২৬ মে) সকালে ছোট ভায়রা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের রশুলপুর ঢাকাইয়া পাড়া এলাকার মৃত আমজাদ মুন্সির পুত্র দিনমুজুর মিনহাজ উদ্দিনের বাড়ীতে ঈদের দাওয়াত খেতে গিয়ে ৫ম শ্রেনীর স্কুল ছাত্রী ভাগনী কে বাড়ীতে একা পেয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে।

এসময় প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঘটনাটি বুঝার আগেই লম্পট খালু ধর্ষক আব্দুস সাত্তার বাড়ী হতে পালিয়ে যায়। অভাবের তাড়নায় মা রানী বেগম মেয়েকে বাড়ীতে রেখে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে গারর্মেন্স শ্রমিকের চাকুরী করে আর বাবা মিনহাজ দিনমুজুরের কাজ করে।

সংবাদ পেয়ে একদল সাংবাদিক ২৮মে ভিকটিমের বাড়ীতে গেলে ভিকটিম ও তার বাবাকে পাওয়া যায়নী, এসময় গারর্মেন্স শ্রমিক মা রানী বেগম জানায়, আমি অভাবের কারনে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে ১টি গারর্মেন্স শ্রমিকের চাকুরী করি। সংবাদ পেয়ে অতি কষ্টে এইমাত্র হতে বাড়ীতে আসলাম, আমিও মেয়ে ও তার বাবাকে বাড়ীতে পাইনি। সবসময় মোবাইল ফোনে তাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছিলাম। এখন হয়তো তারা বীরগঞ্জে গেছে মোবাইলে পাচ্ছি না।

এসময় তিনি ধর্ষনের বিচার কামনা করে বলেন, এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আমার বড় বোন (ধর্ষক সাত্তারের স্ত্রী) খদেজা ও মেয়ের খালা নুরজাহান আমাদের বাড়ীতে এসে চুপচাপ থাকার হুমকী দিয়ে মেয়েটিকে মারধর করে, যা আমার মেয়ে আমাকে মোবাইল ফোনে জানায়।

তিনি আরো বলেন, ধর্ষক সাত্তারের বড় ভাই গরুর দালাল সালাম, সাত্তারকে লুকিয়ে রেখে মামলা না করার জন্য বিভিন্ন ভাবে ভয়, ভিতি, হুমকী, প্রলোভন দিয়ে যাচ্ছে ও ততবীর করে বেড়াচ্ছে।

ইউপি চেয়ারম্যন গোপাল দেব শর্মা জানায়, মিনহাজ বাড়ী ফিরে মেয়ে ও প্রতিবেশীদের মুখে ঘটনা শুনে স্থানীয় ইউপি সদস্য আইনুল ইসলামকে জানালে সে আমাকে ঘটনাটি জানায়, আমি মেয়েটি সহ তার অভিভাবকদের থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেই।

পরিশেষে ৩০ মে সন্ধ্যায় মেয়ের মায়ের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মেয়ে ও তার মায়ের সাথে কথা হলে ভিকটিম জানায়, আমি টাকার বিনিময়ে কোন আপোষ মিমাংসা চাইনা। আইনগত কঠোর বিচার চাই।

বীরগঞ্জ থানার এসআই মহিউদ্দিন জানায়, থানায় ধর্ষন মামলা হয়েছে। যার নং-৭, তারিখ- ২৭/০৫/২০২০ইং এবং তাকে মেডিক্যালে পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিলো। ধর্ষক সাত্তার পলাতক রয়েছে।