বরগুনার তাল,তলীতে শিশু সন্তানকে গাছে,র সঙ্গে বেঁধে রেখে মাকে গণধর্ষ,ণ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২০ | আপডেট: ৩:৪৩:অপরাহ্ণ, মে ২, ২০২০

বরগুনার তাল,তলী সমুদ্র সৈকত শুভসন্ধ্যার গহীনবনে সাত বছরের ক,ন্যা সন্তানকে গাছে,র সঙ্গে বেঁধে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে এক গৃহ,বধূকে গণধর্ষ,ণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় মোটরসাইকে,ল চালক জহিরুল ও তার চার সহযোগীর বিরুদ্ধে। ধ,র্ষণের স্বীকার হওয়া সেই ভুক্তভোগী নারী গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে তাল,তলী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ গণধ,র্ষণের মামলা না নিয়ে ধর্ষ,ণচেষ্টার অভিযোগে মামলা নিয়েছে।

 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী কলাপাড়া উপজেলার মহিপু,র এলাকার মেয়ে ও পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া এলাকার জনৈক এক ব্যক্তির স্ত্রী এক সন্তানের জননী গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে শ্বশুরবাড়ী থেকে বাপের বাড়ি মহিপু,র যাওয়ার জন্য ট্রলারযোগে সকাল ১০টা দিকে তাল,তলীর তেতুলবাড়িয়া লঞ্চঘাটে এসে পৌঁছায়। ওখান থেকে মহিপু,র যেতে নিশানবাড়ি,য়া খেয়াঘাট যাওয়ার জন্য স্থানীয় ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকে,ল চালক জহিরুল ইসলামের মোটরবাইকে মেয়েকে নিয়ে ওঠেন।

 

জহিরুল নিশানবাড়ী,য়া  খেয়াঘাট না গিয়ে কৌশলে ওই গৃহ,বধূকে নিয়ে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের গহীন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে জহিরুল তার চার সহযোগী এমাদুল, নজরুল, সোহাগ ও সাইদুলকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে উক্ত স্থানে নিয়ে আসে। এরপর ওই নারী,র সঙ্গে থাকা ক,ন্যাকে গাছে,র সঙ্গে বেঁধে মেরে ফেরার ভয় দেখিয়ে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সবাই মিলে ওই গৃহ,বধূকে পালাক্রমে ধর্ষ,ণ করে। এতে ওই নারী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে ধর্ষকরা তাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে যায়।

 

পরবর্তীতে ওই নারী,র জ্ঞান ফিরলে তার মেয়েকেসহ পার্শ্ববর্তী লোকজনের কাছে ঘটনার কথা খুলে বলে আশ্রয় চাইলে তারা তাদের আশ্রয় না দিয়ে অন্য একটি মোটরসাইকে,ল যোগে নিশানবাড়ি,য়া খেয়াঘাট পৌঁছে দেন। লোকলজ্জার ভয়ে এতদিন কোথাও এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেননি। কিন্তু বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হওয়ায় বাধ্য হয়ে থানায় এসেছেন বিচার চাইতে।

 

গৃহবধূ জানান, ঘটনার দিন সকাল ৮টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে রওনা দিয়ে পাথরঘাটা হয়ে ট্রলারযোগে সকাল ১০টায় তাল,তলীর তেতুলবাড়িয়া লঞ্চঘাটে পৌঁছাই। তারপর মোটরসাইকে,ল চালক জহিরুলকে নিশানবাড়ী,য়া  খেয়াঘাট যাওয়ার জন্য ভাড়া করি। সে আমাকে নিশানবাড়ী,য়া  খেয়াঘাট না নিয়ে কৌশলে গহীন জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে সে মোবাইল ফোনে আরো চারজন সহযোগীকে ডেকে আনেন। তারপর ওরা সবাই মিলে আমার মেয়েকে গাছে,র সঙ্গে বেঁধে রেখে খুনের ভয় দেখিয়ে আমাকে সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষ,ণ করে।

 

পরবর্তীতে তারা আমাকে অজ্ঞান অ,বস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। আমার জ্ঞান ফেরার পরে স্থানীয় লোকজনের কাছে ঘটনা খুলে বলি। তাদের সহায়তায় অন্য একটি মোটরসাইকে,ল যোগে নিশানবাড়ি,য়া এসে খেয়াপাড় হয়ে বাড়িতে পৌঁছাই। তিনি আরো বলেন, লোকলজ্জার ভয়ে এ ব্যাপারে আমি কোথাও অভিযোগ করিনি। কিন্তু বিষয়টি ব্যাপকভাবে জানাজানি হওয়ায় আমি থানায় এসে বিচার চাইতে বাধ্য হই।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন মোটরসাইকে,ল চালক জহিরুল সকাল ১০টার দিকে ওই নারী,কে একটি বাচ্চাসহ শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের জঙ্গলের দিকে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে এমাদুল, নজরুল, সোহাগ, সাইদুল ও জঙ্গলের দিকে যেতে দেখি। বিকাল ৪টার দিকে ওই নারী রাস্তায় এসে জনসম্মুখে উক্ত ঘটনা প্রকাশ করলে আমরা অন্য একটি মোটরসাইকে,ল যোগে নিশানবাড়ি,য়া খেয়াঘাটে পাঠিয়ে দেই।

 

এ ব্যাপারে তাল,তলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগ দিতে ভুক্তভোগী নিজেই থানায় এসেছেন। তার জবানবন্দি আমরা রেকর্ড করেছি। এ ঘটনায় ধর্ষ,ণচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদে,র গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গণধ,র্ষণের ঘটনায় ধর্ষ,ণচেষ্টার মামলা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নারী আমাদের কাছে ধর্ষ,ণচেষ্টার কথা বলেছে আমরা সেই মামলাই নিয়েছি।