জগন্নাথপুরের কুশিয়ার ব্রীজের রাস্তার নিচে সংযোগ সড়ক চলে যাওয়ায় দুর্ভোগ চরমে!!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:৫৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২০ | আপডেট: ৩:৫৩:অপরাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২০

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের বাগময়না তাজপুর, রসুলপুর, মকবুলাবাদ গ্রামের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া কুশিয়ারা ব্রীজের রাস্তার নিচে সংযোগ সড়ক চলে যাওয়ায় কৃষক, শিক্ষার্থী সহ লোকজনের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাইলগাঁও ইউনিয়নের বাগাউড়া, শ্যামারগাঁও, বাগময়না তাজপুর, রসুলপুর, মকবুলাবাদ গ্রামের হাজার হাজার জনসাধারন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। ব্রীজের সাথে মিল করে রাস্তা নিমার্ণ করায় সাবেক সড়ক মাটি নিচে চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীর চলাচলের একমাত্র রাস্তা বর্তমান সড়কের নিচে চলে যায়। রাস্তার মাটি ভরাট করার আগে গ্রামবাসী মিলে ব্রীজের কর্তৃপক্ষ বারবার বলার পরও সংযোগ সড়কের সাথে মিল করে এপরোজে মাটি ফেলা হয় নাই।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবরে গত ১৯-৯-২০১৯ ইং সংযোগ সড়কের রাস্তায় মাটি ফেলার জন্য আবেদন দিলেও স্থানীয় ঠিকাদার সংযোগ সড়কে মাটি ফেলার বিষয়টি গুরুত্ব দেয় নাই। এ রাস্তা দিয়ে ১টি মাদ্রাসা, ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি ব্রাকের স্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও বৈশাখ, অগ্রাহায়ন মাসের কৃষকেরা একমাত্র সম্ভর এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। সংযোগ সড়কের সাথে মিল না করায় সেতুটি এখন গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাতায়াতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে আশপাশের অন্তত ১৫ গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, ব্রীজের রাস্তার কাজ করার সময় আমাদের গ্রাম সহ আশে পাশের কয়েকটি গ্রামের একমাত্র সম্ভর রাস্তাটি মাটি নিচে চলে যায়। মাটি ফেলার সময় গ্রামবাসী মিলে রাস্তার ঠিকাদারকে বলার পর আমাদের আশ^াস দিয়েছিলেন। আজ প্রায় বছর খানেক সময় ধরে সংযোগ সড়কের সাথে মাটি না দেওয়ায় প্রতিনিয়ত দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের এখনো সংযোগ সড়কের সাথে মিল করে মাটি ফেলা হচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেন।

প্রায় একমাস পর আমাদের বোরো ধান কাটা হবে ধান আনা নেওয়ার জন্য এ রাস্তাটি ব্যবহার করতে পারবনা। জরুরি ভিত্তিতে সংযোগ সড়কে মাটি ফেলে গ্রামবাসীর দূর্ভোগ থেকে করতে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী সহ সংশিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ বিষয়ে জানতে সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংযোগ সড়ক মাটি নিচে চলে যাওয়া গ্রামবাসীর সমস্যা কথা জানতে পেরেছি। রাস্তার এপরোজে মাটি ফেলার জন্য বলা হয়েছে। কিছু দিন সময় লাগবে কাজটি হয়ে যাবে।