ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেও টাঙ্গাইলে তিন বান্ধবীর গণধষর্ণ পাঁচ ঘণ্টা দেখতে হলো স্কুলছাত্রীকে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:০২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২০ | আপডেট: ৭:০২:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২০

হাফিজুর রহমান.টাঙ্গাইল প্রতিনিধি::

পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া তিন ছাত্রী। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাতকুয়া পাহাড়ি এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় এক মেয়ের বাদী হয়ে আজ সোমবার সকালে অজ্ঞাতনামা ৫-৭ জনের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

মামলা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রোববার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল এসই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির চার ছাত্রী বিদ্যালয়ে এসে ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই অনুযায়ী দুপুর দেড়টার দিকে তারা ঝড়কা এলাকায় যায়। সেখানে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বন্ধু হৃদয় ও শাহীন। পরে তারা আশিক নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে সাতকুয়া এলাকায় সেনাবাহিনীর ফায়ারিং রেঞ্জের উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘুরতে যায়। এ সময় পাঁচ-সাতজন ব্যক্তি তাদের ঘিরে ফেলে।

সেসময় হৃদয় ও শাহীনকে মারধর করে তিনজনকে ধর্ষণ করে তারা। অপরকে ভাগ্নির মতো দেখা যায় বলে তাকে ধর্ষণ করা থেকে বিরত থাকে। দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত আটকে রেখে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা।

পরে ওই চার ছাত্রী সেখানে তাদের একজনের নানীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে মোবাইল ফোনে অভিভাবকদের বিষয়টি জানানো হয়। অভিভাবকরা থানা পুলিশকে জানালে তারা চার স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আজ সোমবার এক স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদুল আলম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।