Dhaka ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মোবাইলে শিশুর ক্ষতিকর দিকগুলো কিকি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১৭১ Time View

মোবাইল ব্যবহারে শিশুদের ক্ষতিকর দিকগুলো অনেকগুলো রয়েছে, যা তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মানসিক উন্নতির প্রতিবন্ধী হতে পারে। নিম্নলিখিত হল মোবাইল ব্যবহারের শিশুদের কিছু ক্ষতিকর দিক:

 

১. প্রবৃত্তি ও সময়ের অপচয়: অতিরিক্ত সময় মোবাইল ব্যবহারে অনুমোদন দিতে হলে, শিশুরা অন্যান্য ক্রিয়াকলাপের সাথে সময় কাটানোর বাদে মোবাইলে সময় অনেকটা অপচয় করতে পারে।

 

২. ফিজিক্যাল নিঃশব্দতা: মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিশুরা অনেক সময় নিঃশব্দ হয়ে যায়, যা তাদের শারীরিক উন্নতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

 

৩. মানসিক সমস্যা: অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিশুরা মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন, যেমন ডিপ্রেশন, অতিরিক্ত নিঃশব্দতা, মোবাইল গেম অভিসার ইত্যাদি।

 

৪. সম্প্রতি সাংবাদিক বিজ্ঞপ্তির প্রভাব: মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় সাংবাদিক বিজ্ঞপ্তি দেখলে শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

৫. সুরক্ষার বিপর্যয়: মোবাইল ব্যবহারের সময়ে শিশুরা অনধিক সুরক্ষিত নয় এবং অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনলাইন সাহায্যের অভাবে সুরক্ষার বিপর্যয় কারণ হতে পারে।

 

মোবাইল ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে থাকা, বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপে যোগ দেওয়া এবং পরিচিতির সীমা রক্ষা করা শিশুদের উন্নতির জন্য উপকারী হতে পারে। পালকদের পরিচিতির পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা ও নির্দিষ্ট সময় মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হলে পরামর্শ পেতে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা জরুরি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মাদারীপুরের শিবচরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

মোবাইলে শিশুর ক্ষতিকর দিকগুলো কিকি

Update Time : ০৯:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মোবাইল ব্যবহারে শিশুদের ক্ষতিকর দিকগুলো অনেকগুলো রয়েছে, যা তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মানসিক উন্নতির প্রতিবন্ধী হতে পারে। নিম্নলিখিত হল মোবাইল ব্যবহারের শিশুদের কিছু ক্ষতিকর দিক:

 

১. প্রবৃত্তি ও সময়ের অপচয়: অতিরিক্ত সময় মোবাইল ব্যবহারে অনুমোদন দিতে হলে, শিশুরা অন্যান্য ক্রিয়াকলাপের সাথে সময় কাটানোর বাদে মোবাইলে সময় অনেকটা অপচয় করতে পারে।

 

২. ফিজিক্যাল নিঃশব্দতা: মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিশুরা অনেক সময় নিঃশব্দ হয়ে যায়, যা তাদের শারীরিক উন্নতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

 

৩. মানসিক সমস্যা: অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণে শিশুরা মানসিক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন, যেমন ডিপ্রেশন, অতিরিক্ত নিঃশব্দতা, মোবাইল গেম অভিসার ইত্যাদি।

 

৪. সম্প্রতি সাংবাদিক বিজ্ঞপ্তির প্রভাব: মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় সাংবাদিক বিজ্ঞপ্তি দেখলে শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

৫. সুরক্ষার বিপর্যয়: মোবাইল ব্যবহারের সময়ে শিশুরা অনধিক সুরক্ষিত নয় এবং অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনলাইন সাহায্যের অভাবে সুরক্ষার বিপর্যয় কারণ হতে পারে।

 

মোবাইল ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণে থাকা, বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপে যোগ দেওয়া এবং পরিচিতির সীমা রক্ষা করা শিশুদের উন্নতির জন্য উপকারী হতে পারে। পালকদের পরিচিতির পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা ও নির্দিষ্ট সময় মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হলে পরামর্শ পেতে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা জরুরি।