বিচারক হারুন চাচা আমাকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেছে

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৪৫:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

সাতক্ষীরার আমলী আ’দালত-১-এর সাবেক বিচারক ও বর্তমানে রংপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদের বি’রুদ্ধে গৃহকর্মীকে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

একই সঙ্গে ধ’র্ষণের বিচার চাওয়ায় গৃহকর্মীর বাবা-মা, ভাই-বোনের নামে একাধিক মা’মলা দিয়ে জে’ল খাটানোর অ’ভিযোগ করা হয়েছে।গত শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অ’ভিযোগ করেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজে’লার মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা ধ’র্ষণের শিকার ওই গৃহকর্মী।

 

লিখিত বক্তব্যে গৃহকর্মী বলেন, বিচারক হারুন অর রশিদের গ্রামের বাড়ি আমাদের একই এলাকার মাগুরা ঘোনা গ্রামে। তিনি স’ম্পর্কে আমা’র প্রতিবেশী চাচা। আমা’র বাবা একজন দরিদ্র কৃষক। আম’রা তিন বোন ও এক ভাই। দরিদ্র হওয়ায় বিচারক হারুনের মা আমাকে তাদের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ দেন। তিন বছর আগে থেকে তাদের বাড়িতে কাজ শুরু করি আমি।

 

বর্তমানে বিচারক হারুনের তিনজন স্ত্রী’ রয়েছেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় স্ত্রী’র সঙ্গে ঢাকা হাই’কোর্টে মা’মলা চলমান। মা’মলার কারণে বিচারক হারুন প্রায়ই গ্রামের বাড়িতে থাকতেন। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে আমাকে একাধিকবার ধ’র্ষণ করেছেন বিচারক হারুন। লোক লজ্জা আর ভ’য়ে কাউকে ঘটনা জানাইনি আমি।

 

গৃহকর্মীর ভাষ্য, ‘দিনের পর দিন ধ’র্ষণের ঘটনা চলতে থাকলে অ’তিষ্ঠ হয়ে বাড়িতে কাজ করব না বলে জানিয়ে দেই। এরপর আমা’র ওপর ক্ষিপ্ত হন বিচারক হারুন।

 

আমাকে মে’রে ফেলার ও আমা’র পরিবারকে মিথ্যা মা’মলায় জে’ল খাটানোর হু*মকি দেন। হু*মকির কয়েকদিন পরই আমা’র এক আত্মীয়কে দিয়ে সাতক্ষীরায় থাকাকালীন আমা’র বাবা, ভাই-বোনের নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মা’মলা করিয়ে দেন হারুন। সেই সঙ্গে মা’মলার ত’দন্ত ছাড়াই ওয়ারেন্ট জারি করেন তিনি। এরপর ডুমুরিয়া থা’না পু’লিশ আমা’র বাবা ও ভাইকে আ’ট’ক করে জে’ল হাজতে পাঠায়।’

 

ধ’র্ষণের শিকার গৃহকর্মী বলেন, আমা’র বড় বোন খুলনায় থাকে, তাকেও এ মা’মলায় জড়ানো হয়েছে। গ্রামের কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক দিয়ে আমাদের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমা’র মা পেপার ছাউনি দিয়ে সেখানে থাকি।

 

প্রতি রাতে স্থানীয় যুবকরা আমাদের বাড়িতে হানা দেয়। গত এক মাস নির্ঘুম রাত কা’টাচ্ছি আম’রা। এ ঘটনায় তাদের বি’রুদ্ধে থা’নায় মা’মলা করতে গেলে মা’মলা নেয়নি পু’লিশ।

 

পাশাপাশি বাবা ও ভাইয়ের জামিন করাতে পারছি না। মা’মলার নথিপত্র আ’ট’কে রেখেছেন বর্তমান বিচারক। জামিন না দেয়ার জন্য প্রভাব খাটাচ্ছেন বিচারক হারুন। এখন আমা’র মা ও বোনকে জে’লে পাঠাবেন বলে হু*মকি দিচ্ছেন তিনি। আম’রা মিথ্যা এসব মা’মলা থেকে অব্যাহতি চাই।

 

বিচারক হারুন অর রশিদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি চাই।তবে এসব অ’ভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদ বলেন, আমা’র বি’রুদ্ধে যেসব অ’ভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।