বিচারের দাবিতে ছেলের ম’রদেহ আট মাস গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে পরিবার

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৯ | আপডেট: ১১:৪৯:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৭, ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক:

গাছে ঝুলছে একজনের ম’রদেহ। সেভাবেই কেটে গেছে প্রায় আট মাস। অবশ্য ম’রদেহ উ’দ্ধার করে নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ম’র্গ থেকে ম’রদেহ ফেরত নিয়ে আসার পরেও সৎকার করা হয়নি। সম্প্রতি ওই ম’রদেহের সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়েছে খাটিয়া। কিন্তু তার পরেও গাছ থেকে নামানো হয়নি ম’রদেহ। খাটিয়াসহ গাছ থেকে ঝুলছে ম’রদেহ।

জানা গেছে, পু’লিশ আত্মহ’ত্যার কথা বললেও নি’হতের পরিবারের দাবি এটা হ’ত্যাকা’ণ্ড। সে কারণে মাসের পর মাস গ্রামে প্রবেশের মুখে বড় গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে ম’রদেহ। এমনকি পু’লিশের তদন্তের ওপর আস্থা নেই বলে ম’রদেহ সৎকার করতে রাজি নয় নি’হতের পরিবার।
গত বছরের ডিসেম্বরে ২২ বছর বয়সী ভাটিয়া গামা’রের ঝুলন্ত ম’রদেহ দেখা যায় গাছটিতে। ময়নাতদন্তের পর থেকে আবারো তার ম’রদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ভারতের গুজরাটের সাবরকাঁথা গ্রামের ওই ঘটনায় নি’হতের পরিবারের দাবি, ওই যুবক এক মেয়েকে ভালোবাসত। সেই মেয়ের পরিবারের লোকজন তাকে খু’ন করেছে। পু’লিশ মা’মলা নিষ্পত্তি করে দিলেও সুবিচারের দাবিতে অনড় পরিবার।

সে কারণে ঝুলন্ত ম’রদেহের সামনেই চলছে যাতায়াত। দীর্ঘ সময় অ’তিবাহিত হওয়ার কারণে দেহে পচন ধরছে। বর্ষাও চলে এসেছে। সে কারণে দেহটিকে খাটিয়ায় শুইয়ে রাখা হয়েছে, তবে সেটা গাছে ঝুলিয়েই। গামা’রের এক আত্মীয় বলেন, এটা খু’নের মা’মলা, আত্মহ’ত্যা নয়। সে কারণে সৎকার করে দিলে তার আত্মা শান্তি পাবে না।

ডেপুটি পু’লিশ সুপার ভারত বরোত বলেন, ওই যুবকের পরিবারকে আম’রা জানিয়ে দিয়েছি এটা আত্মহ’ত্যা। কারণ ময়নাতদন্ত সেটাই বলছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবার আবারো ঝুলিয়ে দিয়েছে ওই ম’রদেহ।

প্রসঙ্গত, গুজরাটের আদিবাসী এলাকায়, বিশেষ করে পোশিনা, খেদরাহমা, ভাদালি ও বিজয়নগরে চাডোতারু নামে একটি প্রথা রয়েছে। এই প্রথায় অস্বাভাবিক মৃ’ত্যু হলে অ’ভিযুক্তকে অর্থ দিতে হয়, এর পর মৃ’ত ব্যক্তির আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মাতব্বরদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায় সেই অর্থ।