জমির মালিকদের টাকা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার পকেটে

নাজমুল হক নাজমুল হক

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০১৯ | আপডেট: ৩:৩২:অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০১৯

নাজমুল হক, মাদারীপুর
01772327799

মাদারীপুর জেলার ডাসার থানার কালকিনি উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রায় দশ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইসমাইল হোসেন ১০/ ২৫/ ২০১৫ ইং তারিখে বাশঁগাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন। তিন বছর চাকরির সুবাদে সেখানকার লোকজনের সাথে তার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। হঠাৎ করেই ইসমাইল হোসেনের ১২/০৫/২০১৮ইং তারিখে বদলির আদেশ চলে আসে।
বদলির কিছু দিন আগে ইসমাইল মিউটেশন, জমির কাগজ ঠিক করে দেয়া এসব কাজ দেখিয়ে ওই এলাকার অনন্ত ২০ জন লোকের কাছ থেকে প্রায় দশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, বাশঁগাড়ী ইউনিয়নের খাশেরহাটের মাসুদ খানের কাছ থেকে ৭৫,০০০, খাসেরহাটে নূরু সিকদারের থেকে ৮০,০০০, ছলেমান সিকদার থেকে ৬৫,০০০, মস্তফা খার ২০,০০০ , সেকেন্দার সিকদার থেকে ১০,০০০, সঞ্জীব ডাঃ ১০,০০০ , এমদাদ সিকদার ২০,০০০, শাজাহান সিকদার ১০,০০০ এসব লোকজনসহ আরো অনেকের কাছ থে, জমির বিভিন্ন ধরনের কাজ করে দেবার কথা বলে ইসমাইল হোসেন তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী মাসুদ খান বলেন, তহশিলদার ইসমাইল হোসেন আমাদের গ্রাম থেকে জমি জমার কাজ করে দেবে বলে অসংখ্য লোকের কাছ থেকে থেকে প্রায় দশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন কিন্তু কারো কাজ সে করেনি। সে জানতেন সে এখান থেকে বালিগ্রাম ভূমি অফিসে বদলি হয়ে চলে যাচ্ছে তারপরেও সে টাকাটা নিয়েছে।

ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনের সাথে কথা বললে প্রথমে সে বলে, ওই এলাকায় চাকরি করার সময় কিছু লোকের কাজ করে দেবার কথা ছিলো তবে বদলির কারণে কাজ করে দিতে পারিনি। তিনি আরো বলেন কিছুদিন সময় পেলে আমি চেষ্টা করবো কাজ করে দিতে। তবে ক্যামেরায় এই কথা বলার জন্য বললে , ইসমাইল বলেন আমি কাউকে চিনি না, কারো কাছ থেকে কোন টাকা পায়সা আমি নেইনি।
তিন বছর ওই এলাকায় চাকরি করেছেন আর ওই এলাকার এতোগুলো লোকজনে মধ্যে কাউকেই চেনেন না? এমন প্রশ্ন করলে , ওই কর্মকর্তা বলেন -এখন আমি কিছু বলতে পারবো না,পড়ে কথা বলবো।