ডাকসু’তে প্রধানমন্ত্রীর আজীবন সদস্যপদ প্রস্তাবে ভিপি নুরের আপত্তি

নাজমুল হক নাজমুল হক

ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০১৯ | আপডেট: ৩:৩৩:অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০১৯

দীর্ঘ ২৮ বছর পর শুরু হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যকরী সভা। এর মাধ্যমে ডাকসু কমিটির অভিষেক হল। প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাকসুর আজীবন সদস্য।

কিন্তু নির্বাচন বিতর্কিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্য পদ দেওয়ার ব্যাপারে বিরোধিতা করেছেন নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর। শনিবার (২৩ মার্চ) ডাকসুর প্রথম কার্যনির্বাহী সভা শেষে ভিপি নুর সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

অন্যদিকে, কার্যনির্বাহী সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ডাকসুর আজীবন সদস্য করার প্রস্তাবনা সম্মিলিতভাবে উত্থাপিত হয়েছে। একমাত্র নুর ছাড়া সবাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজীবন সদস্য পদ সমর্থন করেছেন বলে জানিয়েছেন জিএস গোলাম রাব্বানী।

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দায়িত্ব নেয় নবনির্বাচিত কমিটি। এরই মধ্যে দীর্ঘ ২৮ বছর পর কার্যকর হলো ডাকসু। ডাকসু’র ভিপি, জিএস সহ মোট ২৫টি পদে নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে অবস্থিত ডাকসু ভবনে উপস্থিত হন উপাচার্য ও ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান।

এছাড়াও ডাকসুর নব নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ শিক্ষকরা ডাকসু ভবনে যান। সভায় দায়িত্বভার গ্রহণের পর উপাচার্য ও নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও স্মৃতি চিরন্তনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে।

ডাকসু নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২৩টিতেই জয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ। ১৮টি হলের ১২টিতেই ভিপি-জিএসসহ অধিকাংশ পদে জয় পায় তারা।

বাকি ছয়টিতে স্বতন্ত্র পদে ভিপি-জিএসসহ কিছু পদে জয় পায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এক সভায় দায়িত্ব গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে শুক্রবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নুর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।