দশমিনার রনগোপালদী ঝুকিপুর্ন এফ ডব্লিউ সি,অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:৫৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯ | আপডেট: ৩:৫৯:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৩, ২০১৯

ফয়েজ আহমেদ,দশমিনা প্রতিনিধি ॥

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটি এখন মরন ফাঁদে পরিনত। যে কোন সময় ছাদ ধ্বশে পড়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল ১২জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীঃ তারিখে সকাল ৯টার দিকে যথারিতি অফিসে আসেন পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা মোসাঃ লাইজু বেগম। সাথে তার কোলের অবুঝ শিশু সন্তান। অফিস রুমে বসে হাজিরা খাতায় সহি শেষে বসেছিলেন নিজ রুমেই। ঠিক ঐ মুহুর্তে রোগি না থাকায় মাত্র দুই মিনিট পূর্বে অফিসের সামনের খালি যায়গাটিতে তার কোলের শিশুটিকে নিয়ে দাড়িয়েছিলেন লাইজু বেগম। হঠাৎ ধুরুম ধুরুম শব্দে পিছন ফিরে তাকাতেই গা শিহরে উঠে লাইজু বেগমের। মাত্র ২মিনিট পূর্বে তিনি যে অফিস রুমে বসাছিল ঠিক তার উপরের অংশের ছাদ ধ্বশে পড়ে তার ব্যাবহৃত টেবিল চেয়ার ও মেঝেতে।

 

ছাদের শক্ত প্লাষ্টারের আঘাতে তার বসার চেয়ারটিও ভেঙ্গে পরে আছে মেঝেতে। দেখলে মনে হবে এই মাত্র কোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠি হামলা ভাংচুর করে চলেগেছে। এ মর্মে অত্র কেন্দ্র প্রধান ডাঃ ফিরোজ আহম্মদ এ প্রতিনিধিকে বলেন, এ বিষয় আমি বহুবার আমার উর্দ্দোতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত ও মৌখিক ভাবে অবহিত করিয়েছি। কিন্তু তাহারা কর্নপাত করছেন না। যানাগেছে ৭০এর দশকে নির্মিত এ একতলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটি অনেক পূর্বেই ব্যাবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। সিএমএমইউ ইঞ্জিনিয়ার পটুয়াখালীকে জানালে তাহারা শুধু রিপিয়ারিং এর কথা বলেন।

 

তিনি আরো বলেন এবারে আর রিপিয়ারিং নয় , ভবনটিকে সম্পুর্নরুপে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করে,পুনঃনির্মানের জোড় দাবী জানাচ্ছি। অণ্যথায় গতকালের মত ভয়াবহ ঘটনা অচিরেই ঘটে যেতে পাড়ে। ঘটনার পরপরই আমি দশমিনা ইউএফপিও মোঃ শরিফুল ইসলাম মহোদয়কে ফোনে অবহিত করিয়েছি এবং তিনি তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এমর্মে ইউএফপিও মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন,আমি নিজে গিয়ে দেখে আসছি,বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং মার্মন্তিক।