Dhaka ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৩৬৫ Time View

মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর গ্রামের মাথা ভাঙ্গা এলাকায় রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে তিন লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা।

শুক্রবার রাতে যেকোনো সময় এই বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে ধারণা ভুক্তভুগীদের।

জানাযায় প্রায় ৬ মাস আগে খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামের মাথা ভাঙ্গা এলাকার আবু তালেব বেপারীর ছেলে সোহানুর বেপারী,রফিক সরদারের ছেলে রাব্বি সরদার ও বাবুল শিকদারের ছেলে ফেরদাউস শিকদার এই তিন বন্ধু মিলে চর গোবিন্দপুর মাথা ভাঙ্গা হাটের পশ্চিম পার্শে সোনালী বির্কস ইটভাটা সংলগ্ন ৪০ শতাংশ জমি নিয়ে একটি পুকুর সেই পুকুরে তিন বন্ধু মিলে ৬ লক্ষাধিক টাকার তেলাপিয়া,রুই,কাতলা,ব্রিগেড,পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ ছাড়েন তারা।এখন সেই মাছ একেকটা ১ কেজি ওজনের বেশি হয়েছে। তারা তিন বন্ধু মিলে ভেবেছিলো দুই একদিনের মধ্যে মাছ গুলো ধরবে কিন্তু গত রাতে কে বা কারা তাদের পুকুরে বিষ দিয়েছে তা কেউ যানেনা। সকালে পুকুরের পাড় এসে দেখে মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এরপর তারা ডাক্তার ডেকে আনে ডাক্তার পানি পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জানায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে যার কারণে মাছ মরে ভেসে ওঠে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভুগী সোহানুর রহমান বলেন আমরা তিন বন্ধু মিলে লেখাপড়ার পাশাপাশি এই মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন এখন পুকুরের পানিতে ভাসছে। কে বা কারা আমাদের পুকুরে বিষ দিয়েছে আমরা জানিনা।তবে আমাদের মত উদ্যোক্তাদের যারা ক্ষতি করেছে তাদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। সরকার ও প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি তাদের আইনের আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন এটাই আমাদের দাবি।

ভুক্তভুগী আরেক বন্ধু রাব্বি সরদার বলেন মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা আমরা নিজের অর্থ দিয়ে এই মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছি এখনো আমাদের মাছের খাবারের এক লক্ষ টাকা বাকি পরে আছে দোকানে। এ অবস্থায় এখন আবার পুকুরের অর্ধেক মাছ মারা গেছে আমরা এখন এই ক্ষতি কেমন করে পুরণ করবো, যারা আমাদের এই ক্ষতি করেছে আমি প্রশাসনের কাছে তাদের বিচার চাই।

মাদারীপুর সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এইচ এম সালাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি শুনলাম। কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Nazmul Haque

মাদারীপুরের শিবচরে বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু

রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন

Update Time : ১০:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর গ্রামের মাথা ভাঙ্গা এলাকায় রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে তিন লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করেছে দূর্বৃত্তরা।

শুক্রবার রাতে যেকোনো সময় এই বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে বলে ধারণা ভুক্তভুগীদের।

জানাযায় প্রায় ৬ মাস আগে খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুর গ্রামের মাথা ভাঙ্গা এলাকার আবু তালেব বেপারীর ছেলে সোহানুর বেপারী,রফিক সরদারের ছেলে রাব্বি সরদার ও বাবুল শিকদারের ছেলে ফেরদাউস শিকদার এই তিন বন্ধু মিলে চর গোবিন্দপুর মাথা ভাঙ্গা হাটের পশ্চিম পার্শে সোনালী বির্কস ইটভাটা সংলগ্ন ৪০ শতাংশ জমি নিয়ে একটি পুকুর সেই পুকুরে তিন বন্ধু মিলে ৬ লক্ষাধিক টাকার তেলাপিয়া,রুই,কাতলা,ব্রিগেড,পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ ছাড়েন তারা।এখন সেই মাছ একেকটা ১ কেজি ওজনের বেশি হয়েছে। তারা তিন বন্ধু মিলে ভেবেছিলো দুই একদিনের মধ্যে মাছ গুলো ধরবে কিন্তু গত রাতে কে বা কারা তাদের পুকুরে বিষ দিয়েছে তা কেউ যানেনা। সকালে পুকুরের পাড় এসে দেখে মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এরপর তারা ডাক্তার ডেকে আনে ডাক্তার পানি পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জানায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে যার কারণে মাছ মরে ভেসে ওঠে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভুগী সোহানুর রহমান বলেন আমরা তিন বন্ধু মিলে লেখাপড়ার পাশাপাশি এই মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন এখন পুকুরের পানিতে ভাসছে। কে বা কারা আমাদের পুকুরে বিষ দিয়েছে আমরা জানিনা।তবে আমাদের মত উদ্যোক্তাদের যারা ক্ষতি করেছে তাদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। সরকার ও প্রশাসনের কাছে একটাই দাবি তাদের আইনের আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন এটাই আমাদের দাবি।

ভুক্তভুগী আরেক বন্ধু রাব্বি সরদার বলেন মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা আমরা নিজের অর্থ দিয়ে এই মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছি এখনো আমাদের মাছের খাবারের এক লক্ষ টাকা বাকি পরে আছে দোকানে। এ অবস্থায় এখন আবার পুকুরের অর্ধেক মাছ মারা গেছে আমরা এখন এই ক্ষতি কেমন করে পুরণ করবো, যারা আমাদের এই ক্ষতি করেছে আমি প্রশাসনের কাছে তাদের বিচার চাই।

মাদারীপুর সদর থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এইচ এম সালাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি শুনলাম। কেউ অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।