শার্শায় জোহরা ফিলিং ষ্টেশন দুই বছরে কোটি টাকার তেল চুরি

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৫৬:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৬, ২০১৮

মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: শার্শার জোহরা ফিলিং ষ্টেশন নামে এক তেল পাম্পের মালিক ডাক্তার হাবিবুর রহমান গত দুই বছরে ক্রেতাদের ৭২ লাখ টাকার তেল বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ করেছে তারই পাম্পের ম্যানেজার আহসান হাবিব বাবলু।

পাম্পের ম্যানেজার বলেন, ডাক্তার হাবিব এক বিশেষ কায়দায় পাম্পের তেলে ঘাট বেধে এ তেল চুরির ফাঁদ পাতে। বিগত দুই বছরের হিসাব অনুযায়ী তিনি ৭২ লাখ টাকার ক্রেতাদের তেল চুরি করেছে। প্রতি ১০০ লিটারে তিনি ২ থেকে ৩ লিটার করে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল চুরি করে বিক্রি করে। তিনি তেল চুরি সহ শার্শার বাঁগআচড়ায় জোহরা নামে একটি ক্লিনীক হাসপাতাল খুলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সাধারন মানুষের নিকট থেকে। স্বামী -স্ত্রী দুইজন ডাক্তার মিলে এ কিøনীকের মালিক। সেখানে রুগীদের নানা ধরনের মিথ্যে টেষ্ট দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে তিনি এখন বড় ধরনের অর্থ বিত্তের মালিক বনে গেছে।
বাবুল বলেন আমাদের সকাল থেকে গভীর রাত পর্যান্ত খাটিয়ে তিনি মাত্র সাড়ে ৭ হাজার টাকা বেতন দিত। এবং তিনি বলত বছর শেষে বাড়তি তেল থেকে যে আয় হবে তার ভাগ নিলে তো কয়েক লক্ষ টাকা ভাগ পাবে। এ রকম কথা বলে তিনি বিগত দ্ইু থেকে আড়াই বছর আমাদের ঘুরায়ে চাকরি থেকে বরখাস্থ করেছে। তবে মাঝে মধ্যে তিনি আমাদের আকস্মিক ভাবে ২ /৪ হাজার টাকা হাতে দিত।
তেল পাম্পের কর্মচারীদের সাথে আলাপ হলে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ তেল পাম্পে পুকুর চুরি হয়। আমাদের মুখ খোলার উপায় নেই। মালিক আমাদের দিয়ে এসব চুরির কাজ করিয়ে থাকে। কথা বললে চাকরি থাকে না।

জোহরা ফিলিং ষ্টেশন এর মালিক ডাক্তার হাবিবুর রহমান বলেন, আমার পাম্পে চুরি হয় না। বাবুল ও মিলন নামে দুইজন যে ম্যানেজার ছিল তারা এখান থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করেছে। এ চুরির টাকা দিয়ে ইতিমধ্যে বাবুল ১২ লাখ টাকা দিয়ে একটি বিল্ডং হাকিয়েছে।

দৈনিকের টাকা দৈনিক হিসাব হওয়া সত্বেও তারা কিভাবে টাকা চুরি করে তখন ডাক্তার হাবিব তার সঠিক উত্তর দিতে পারে নাই।