প্রতীকী অনশনে জনতার ঢল

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১১:৪৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৪৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তারা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া একতরফা কোনো নির্বাচন এ দেশে হবে না, হতে দেয়া হবে না। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া দেশের গণতন্ত্র মুক্ত হবে না।

 

তাই তাঁকে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করতে হবে। তফসিলের আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে, সেনা মোতায়েন করে ইসি পুনর্গঠন করে এবং সরকারের পদত্যাগ করেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে দিতে হবে।

 

গতকাল বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে প্রতীকী অনশনে বক্তারা এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলÑ বিএনপি এ প্রতীকী অনশনের আয়োজন করে। : প্রতীকী অনশন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ বিএনপির সিনিয়র নেতাদের পানি পান করিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতীকী অনশন ভাঙান। এ সময় অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, আজকে গণতন্ত্র ভূলুন্ঠিত। ১৯৭১ সালে যে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেই গণতন্ত্র আজ ভূলুন্ঠিত।

 

এর থেকে উত্তরণের পথ আগামী জাতীয় নির্বাচন, যে নির্বাচন হতে হবে নিরপে সরকারের অধীনে। নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে দিতে হবে। তাহলেই জনগণ নির্বিগ্নে ভোট দিতে পারবে। কারণ আমরা আইনের শাসন, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার, গণতন্ত্র হারিয়েছি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভবিষ্যতে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে এসব ফিরে পেতে চাই।

 

: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের সামনে মাদুর বিছিয়ে দুই ঘন্টা প্রতীক অনশন করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। ঢাকা ছাড়াও সারাদেশে মহানগর ও জেলা সদরে একযোগে এই প্রতীক অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।

 

তেলাওয়াতের পর মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরিয়ে দেয়ার দোয়া করা হয়। গ্রেফতার ভয় উপো করে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল নামে। এ সময় নেতাকর্মীরা সে­াগানে সে­াগানে উত্তাল করে পুরো এলাকা। ‘জেলের তালা ভাঙব, খালেদা জিয়াকে আনব,’ ‘আমাদের মায়ের মুক্তি চাই’, আমার নেত্রী আমার মা জেলে থাকতে দেবো না’, জিয়ার সৈনিক এক হও লড়াই করো’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ ইত্যাদি সে­াগান দেয় নেতাকর্মীরা। বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও মুক্তির দাবি সম্বলিত ব্যানার এবং বিএনপি নেত্রীর বড় বড় ছবি নিয়ে নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

 

বেলা ১২টার পর তারা অনশন ভাঙেন। বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরাও এ অনশনে অংশ নেন। এই কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের গেটের বাইরে বিপুলসংখ্যাক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাদা পোশাকের পুলিশ মৎস্য ভবন মোড় ও কাকরাইল এলাকায় গ্রেফতার অভিযান চালিয়েছে। গ্রেফতার অভিযানের মাধ্যমে পুলিশ বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীরা বলেন, শুধু গ্রেফতার কেন ক্রসফায়ার দিলেও আমাদের নেত্রীর জন্য আমরা কর্মসূচিতে আসব। আমাদের এসব ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না সরকারের।

 

গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদন্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। এ মামলায় তিনি জামিন পেলেও নতুন নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানোয় তিনি মুক্তি পাননি। রায়ের পর বেগম খালেদা জিয়া রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। এর আগে গত ৯ জুলাই মহানগর নাট্যমঞ্চে সাত ঘন্টা এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসকাবের সামনে তিন ঘন্টার প্রতীক অনশনে অংশ নেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

 

: বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত দিতে হবে। তিনি কারাগরে অসুস্থ, তাঁকে সুচিকিৎসারর ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি যেহেতু কারাগরে আছেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু চিকিৎসক দল বারবার পরামর্শ দেয়ার পরও সরকার কোনো পদপে নিচ্ছে না। তিনি বলেন, সরকার অনায়ভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগরে আটকে রেখেছে। আমরা তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া দেশের গণতন্ত্র মুক্ত হবে না। তাই তাঁকে আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করতে হবে। বিএনপির এ নেতা বলেন, সরকার আবার ষড়যন্ত্র করছে ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন করতে।

 

কিন্তু আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে আর ৫ জানুয়ারি মার্কা কোনো ভোটারবিহীন নির্বাচন হতে দেবে না। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে, সেনা মোতায়েন করতে হবে, নিরপে সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। খন্দকার মোশাররফ বলেন, সরকার আতঙ্কিত হয়ে এখন বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। লাখ লাখ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করছে। কয়েকদিন আগে প্রেসকাবের সামনে আমাদের মানববন্ধন শেষে বিনা কারণে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে।

 

এসব করছে সরকার মতা হারানোর ভয়ে। প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, এ সরকারের সময় শেষ। এখনই নিরপে ভূমিকা রাখুন, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, তাই আপনাদের জনগণের সেবা করতে হবে। আপনারা আওয়ামী লীগের কর্মচারী নয়। তাই সরকারের কথায় জনগণের ওপর নির্যাতন করবেন না, গ্রেফতার করবেন না। আপনারা জনগণের সেবক জনগণের পে অবস্থান নিন। মোশাররফ বলেন, আজকে সব দল ঐক্যবদ্ধ । তারা সবাই গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি চায়। গোটা দেশ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ।

 

তফসিলের আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে, সেনা মোতায়েন করে ইসি পুনর্গঠন করে এবং সরকারের পদত্যাগ করেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, সরকার চায় না বেগম খালেদা জিয়া জামিনে মুক্তি পাক। তাই আইনি মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। তাই আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদ জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সবাই প্রস্তুতি নেন আমাদের হাতে মাসখানেক সময় আছে। এবার যেন আন্দোলনে কর্মসূচি সফল না করে কেউ ঘরে ফিরে না যায়।

 

নেতাকর্মীদোর উদ্দেশে তিনি বলেন, সময় বেশি দেরি নেই, সময় আসছে। এমন কর্মসূচি দেয়া হয়ে আন্দোলনের মুখে সরকারের নৌকা ভেসে যাবে। তাই আন্দোলনের প্রস্তুতি নেন। ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। : অনশনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সরকার বিএনপির জনসমর্থন দেখে ভীত হয়ে পড়েছে। তাই সারাদেশে এখন গায়েবি মামলা দিচ্ছে, গুম, খুন করছে। আমি সরকারকে বলব, যতই অত্যচার নির্যাতন করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘরে বসে থাকবে না। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তাকে নিয়ে নির্বাচনে যাবো। এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো। বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন হবে না। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকার আইনের দোহাই দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মারার ষড়যন্ত্র করছে।

 

এই আদালতের রায় জনগণ মানে না আমরাও মানি না, তাঁকে মুক্তি দিতে হবে। তিনি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। উল্টো কারাগারে আদালত স্থাপন করে তাকে সাজা দেয়ার চক্রান্ত করছে। তিনি বলেন, এখন সরকার আদালতকে কারাগারে নিয়ে গেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রাখতে সরকার আদালতকে ব্যবহার করছে, এই আদালতের রায় দেশের জনগণ মানে না। বেগম খালেদা জিয়াকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। আমরা তাঁর নেতৃত্বে নির্বাচন করে দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো। এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

 

 

তাই নির্বাচনের আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে এছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। বিএনপির এ নেতা বলেন, যারা ওয়ান-ইলেভেন ষড়যন্ত্র করেছে তারা এখন অনেকে ভালো। তবে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যদি কোনো চক্রান্ত করে তাহলে তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করতে হবে। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়ে এখন পুলিশকে ব্যবহার করছে। তারা ভাবছে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে বিএনপিকে শেষ করতে পারবে, কিন্তু তাদের সে চক্রান্ত সফল হয়নি। আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে আন্দোলনের মাধ্যমে কারামুক্ত করে আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করবো। তিনি বলেন, সরকার বারবার চেয়েছে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র সফল হয়নি, হবেও না।

 

 

: বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে গণতন্ত্র অর্জন করেছিলাম ’৭৫ সালে বাকশাল কায়েম করে সেটি ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। আজ আবার তারা মতা দখল করে দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে সারাদেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হলে আগে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তাঁর নেতৃত্বে নির্বাচন করে তাঁকে আবার প্রধনমন্ত্রী করা হবে। এজন্য দরকার ঐক্যবদ্ধ নির্বাচন। এর কোনো বিকল্প নেই। : অনশনে অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

 

 

দেশনেত্রীর ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার করা হচ্ছে। আদালত তাঁকে জামিন দিলেও সরকার তাকে কারাগার থেকে বের হতে দিচ্ছে না। আমরা জামায়াতে ইসলামী বিএনপির এই অনশনে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে সরকারকে পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, দেশনেত্রীকে নিয়ে যতই ষড়যন্ত্র করুন না কেন তাকে ছাড়া দেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না। জনগণ হতে দেবে না। আগামীদিনে সকল সংগ্রামে ২০ দলীয় জোটের সাথে জামায়াতে ইসলামী থাকবে জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, অতীতের মতো আগামীদিনের সকল আন্দোলনেও জামায়াত ২০ দলীয় জোটের পাশে থাকবে।

 

 

: বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মো. শাহজাহান, আহমদ আজম খান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আমানউল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, মিজানুর রহমান মিনু, আতাউর রহমান ঢালী, আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, এমরান সালেহ প্রিন্স, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজিএম শামসুল হক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমদ খান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদিকা সুলতানা আহমেদ, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ঢাকা মহানগর যুবদল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ঢাকা মহানগর দণি স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।

 

২০ দলের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মিয়া গোলাম পরওয়ার, কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য আবদুল হালিম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজাহারুল ইসলাম, জাগপার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান অনশনে বক্তব্য রাখেন। : অনশনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বরকত উল্লাহ বুলু, মেজর জেনারেল (অব) রুহুল আলম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নূরে আরা সাফা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জল, শিশুবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম সিদ্দিকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, হারুন-অর রশিদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন, সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সহ-স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আখতার, সহ-যুববিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, ফোরকানই আলম, আ ক ম মোজ্জামেল হক, আবু নাসের মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, দেবাশীষ রায় মধু, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি গোলাম সারোয়ার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, জাসাসের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, ঢাকা মহানগর বিএনপি উত্তরের দফতর সম্পাদক এবিএম আব্দুর রাজ্জাক, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল রিয়াদ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, জহিরুল হক বিপ্লব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, মিয়া মো. রাসেল, মেহবুব মাছুম শান্ত, ওমর ফারুক মুন্না, দফতর সম্পাদক মো. আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান পাপ্পু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল দক্ষিণের সভাপতি জহিরুল হক তুহিন, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল পশ্চিমের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েলসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। : বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রিজভীর অনশন : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রতীকী অনশন করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মো. মুনির হোসেনসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।