ডিসেম্বরের নির্বাচন ৭০’র মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন -স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

ওসমান হারুনী ওসমান হারুনী

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১:৫৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৫৫:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০১৮

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী আলহাজ মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, “২০১৪ সালের নির্বাচন বাঞ্চাল করতে বিএনপি-জামাত নানা চক্রান্ত করেছে, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও ডিগবাজী দিয়েছিলেন। তখন নির্বাচন না হলে দেশের গণতন্ত্র থাকতো না, দেশে মার্শাল ল’ আসতো। তেমনি আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচন ৭০’র মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।

 

 

৭০’র নির্বাচনে এ দেশের মানুষ ভুল করে নাই, নৌকার বিজয়ের মাধ্যমে এ দেশে স্বাধীনতা এসেছে। এবারের নির্বাচনে দেশের জনগন ভুল করলে বাংলাদেশ হবে হাওয়া ভবনের দেশ, খালেদার জঙ্গিবাদের দেশ। আলোকিত বাংলাদেশ রাখতে চাইলে এবারেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। ইউরোপ-আমেরিকা-মালয়েশিয়ায় যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেই পদ্ধতিতেই নির্বাচন হবে। আগামী নির্বাচন হবে শেখ হাসিনার অধীনে ফাইনাল খেলা। এ খেলায় রেফারী থাকবে নির্বাচন কমিশন।”

 

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আজ রবিবার দুপুরে ৫০শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত সুধী সমাবেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

 

 

মোহাম্মদ নাসিম আরো বলেন,“স্বাস্থ্যসেবা জনগনের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগ সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে, বিএনপি তা বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে পুণরায় তা চালু করে। ১৬ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত কষ্টসাধ্য হলেও সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা মানেই শক্তি, শান্তি, উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবা। নির্বাচনের আগেই আরো পাঁচ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হবে। ডাক্তারদের কাজে অবহেলা সহ্য করা হবে না। গ্রামে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থেকে সেবা দিতে হবে।”

 

 

সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মির্জা আজম এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জামালপুরেও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ জেলায় একটি নার্সিং ইন্সটিটিউট ও ৫০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন একটি হাসপাতাল স্থাপনের সিদ্ধান্তও চুড়ান্ত।”

 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুভাষ চন্দ্র সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. এনায়েত হোসেন, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাও.নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ ছানোয়ার হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ হারুন-উর-রশিদ, সাবেক এমপি ডা. মুরাদ হাসান,ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. আব্দুল গণি, জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এমএ ওয়াকিল আকবর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রশীদ, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. গৌতম রায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ফিরোজ আল মামুন প্রমুখ।