তিন সিটি নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে অাওয়ামী লীগ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৮ | আপডেট: ৭:৫৯:পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৮
তিন সিটি নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে অাওয়ামী লীগ
অাবুল বাশার নূরু : রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অাগামী ৩০ জুলাই। প্রথমবারের মতো তিন সিটিতে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র ও চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে করার বিধান করা হয়েছে।
এর অাগে খুলনা, গাজীপুর, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ ও রংপুর সিটি নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রংপুরে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি। অার কুমিল্লাতে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী। খুলনা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন অাওয়ামী লীগ প্রার্থীরা।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গাজীপুর ও খুলনা নির্বাচনের পর রাজনীতিক মহলের দৃষ্টি এখন সিলেট, রাজশাহী ও বরিশালের দিকে। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত এই তিন সিটি নির্বাচনেই অাওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীরা বিএনপির কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। গাজীপুর,  খুলনা ও নারায়ণগঞ্জের অাওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছিলেন।
অাগামী ৩০ জুলাই তিন সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন অাওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট মেয়র পদে একক প্রার্থী দিলেও এবার অবস্থা বদলেছে। সিলেট সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী অারিফুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মহানগর জামায়াতের অামির এ্যাডভোকেট এহসানুল হক মাহবুব জুবায়ের। এছাড়া মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হয়েছেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র অান্দোলনের ডা, মোয়াজ্জেম হোসেন খানও মেয়র পদে নির্বাচন করছেন। অন্যদিকে অাওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের একক প্রার্থী বদরউদ্দিন অাহমেদ কামরান।
রাজশাহী সিটিতেও অাওয়ামী লীগ জোটের একক প্রার্থী সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। জাতীয় পার্টির ওয়াশিউর রহমান দোলন তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। সিলেটে বিএনপি প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। ২০১৩ সালের নির্বাচনে তিনি অাওয়ামী লীগ প্রার্থী লিটনকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার নির্বাচনের হিসাব বদলে গেছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। দূর্নীতির অভিযোগে কারাবরণ এবং প্রত্যাশীত রাজশাহীর উন্নয়নে বুলবুলের ভূমিকা রাখতে না পারা লিটনের পক্ষে জনমত বেশী বলেই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। রাজশাহীর চিত্র সিলেটেও। সেখানেও বিএনপির অারিফুল হক চৌধুরীর কারাবরণ, উন্নয়ন কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখতে না পারা, দলের বিদ্রোহী,  জোটের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার অাওয়ামী লীগ প্রার্থী অনেকটাই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
বরিশালে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। তিনি বেশ জনপ্রিয় হলেও ধানের শীষের ভোটে ভাগ বসাবে ইসলামী অান্দোলনের ওবাইদুর রহমান মাহবুব। সিটি এলাকায় চরমোনাই পীরের অনেক অনুসারী রয়েছেন। তাদের নিজস্ব একটা ভোট ব্যাংক যা জয় পরাজয়ের বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বরিশালে অাওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক অাব্দুল্লাহ। তরুণ ভোটারদের মাঝে তিনি ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। অন্যদিকে বিএনপির দলীয় কোন্দল চরমে। গতবারের বিজয়ী মেয়র অাহসান হাবীব কামালকে এবার মনোনয়ন না দেওয়ায় তার অনুসারীরা নিরব রয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে খুলনা ও গাজীপুরে বিজয়ের পর তিন সিটিতে জয়ের ব্যাপারে অাত্মবিশ্বাসী অাওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।
  • amadershomoy