নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে দক্ষিণাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষেরা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৪, ২০১৮ | আপডেট: ১২:৫৪:পূর্বাহ্ণ, জুন ১৪, ২০১৮
নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে দক্ষিণাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষেরা

মনবীর সোহান।।

পবিত্র ঈদুল ফিতর বাকি আর মাত্র দুই দিন। ঈদ পালন করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষেরা। খানাখন্দে ভরা সড়কপথে অনেক কষ্ট পোহাতে হলেও নিজ বাড়িতে ঈদ করতে উদগ্রীব ঘরমুখো মানুষেরা। এছাড়া বরিশাল লঞ্চ ঘাটে গিয়েও দেখা যায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়।

বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তারা জানান, মূলত ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বাড়বে বৃহস্পতিবার। সরকারি চাকরিজীবীদের একটি বড় অংশ বৃহস্পতিবার থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করবে। যারা বাসে চড়ে সড়কপথে আসেন তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় মহাসড়কে। তাই লঞ্চে আসতে অনেক বেগ পোহাতে হলেও নদীপথ আরামদায়ক হওয়ায় লঞ্চে ঝুঁকি নিয়েই আসছে মানুষ। পথের শত বিড়ম্বনা আর ঝামেলা মেনে নিয়েই স্বজনদের কাছে ছুটছেন ঘরমুখো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, লঞ্চঘাটে যাত্রীদের হয়রানি না করার জন্য প্রশাসন মাইকিং করে সতর্ক করার পরও লঞ্চ থেকে যাত্রীরা নামার সঙ্গে সঙ্গেই মাহেন্দ্রা ও আটোরিকশাসহ বিভিন্ন পরিবহন, অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের লাগেজ ধরে টানাটানি করছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।
যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের জিম্মি করে চালকরা ভাড়া নিচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। এ ব্যাপারে সাধারণ যাত্রীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোনও সুফল পাচ্ছেন না।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মাহফুজুুর রহমান বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টার্মিনালের গেটের সামনেই রয়েছে নৌ-পুলিশের মোবাইল টিম। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে লঞ্চঘাটে পুলিশের সঙ্গে কাজ করছে স্কাউট সদস্যরা। ’

তিনি আরও বলেন, ‘লঞ্চ স্টাফদের কেবিন যাত্রীদের জন্য ভাড়া দেওয়া যাবে না। লঞ্চের কেবিন ভাড়া নেওয়া যাত্রীদের নাম-পরিচয় মোবাইল নম্বরসহ যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ রাখতে হবে। লঞ্চঘাটে যাত্রীরা যাতে ভোগান্তির শিকার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য পুলিশকে বিশেষ নজর রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সড়কপথেও বাড়ানো হয়েছে টহল টিমের কার্যক্রম।’