ইসলামপুর পাথর্শী ভিজিএফ কালোবাজারে পাচার,॥ চিনাডুলী সচিবের স্লিপ জালিয়াতি

ওসমান হারুনী ওসমান হারুনী

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৮ | আপডেট: ৫:০৮:অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০১৮
ইসলামপুর পাথর্শী ভিজিএফ কালোবাজারে পাচার,॥ চিনাডুলী সচিবের স্লিপ জালিয়াতি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা পাথর্শী ইউনিয়নে দু:স্থ্যদের ভিজিএফ দুইকেজি করে ওজনে কম দেওয়াসহ মাস্টার রোলে ভূয়া টিপসই দিয়ে প্রায়একশত মন চাল কালোবাজারে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকেচিনাডুলী ইউনিয়নের সচিবের স্লিপ জালিয়াতি ঘটনা ফাসঁ হয়েছে !মঙ্গলবার ও বুধবার উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নে ভিজিএফ বিতরণ সময় গিয়েদেখা গেছে,ওজনে কম দিয়ে দু:স্থ্যদের ১০কেজি মাল ৮কেজি করে বিতরণ করাহয়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্লিপধারী জানান তাকে পনে আটকেজি চাল দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে এ ইউনিয়নেচেয়ারম্যান ও মেম্বাররা সিংহভাগ ভিজিডি স্লিপ কালো বাজারে বিক্রিকরেছেন। ফলে সরেজমিনে গিয়ে ভিজিএফ বিতরণ লাইনে লক্ষ করাগেছে,কালোবাজারীদের ভীর,কালোবাজারীদের পাঠানো দুই/তিনটি করেস্লিপ নিয়ে দাড়ানো অনেক শিশুরা চালের জন্য অপেক্ষা করছে।

 

একই ব্যাক্তি বারবার লাইনে দাড়িয়ে কালোবাজীদের চাল তুলে দিচ্ছে,বিষয়টি যেন দেখারকেউ নেই। অন্যদিকে দীর্ঘক্ষণ চারে জন্য অপেক্ষা করছে প্রকৃতস্লিপধারীরা। এ ফাকেঁ কৌশলে কালোবাজারে বিক্রির স্লিপের চাল পাচারকরছে পরিষদের ভিজিএফ বিতরনের দায়িত্ব প্রাপ্ত চেয়ারম্যানের লোকজন।এছাড়াও নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তিরঅভিযোগ,আজ ১৩ জুন বুধবার সকালে চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবুলপরিষদে ঢুকেই তার কালোবাজারে বিক্রির স্লিপের প্রায় একশত মন চাল বস্তাবদল করে ৪টি অটো দিয়ে পাচার করেন। এ সংবাদ সংগ্রহ করতে বুধবারদুপুর দুই টার দিকে পরিষদের সচিবের কক্ষে গিয়ে দেখা গেছে চেয়ারম্যান ওসচিবের পাশে বসে একই ব্যাক্তি চাল বিতরণ মাস্টার রোলে শত শত টিপ সইদিচ্ছেন । এসময় সাংবাািদকের উপস্থিতে ভূয়া টিপ সই দেওয়া বন্ধ করেদেন।

 

এ ব্যাপারে পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবুলের বক্তব্য চাইলেতিনি রাগান্মিত হয়ে বলে আপনারা লেখে যা পারেন করেন গা। সাংবাদিকহয়ছেন যে ;আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।অন্যদিকে ইসলামপুরের চিনাডুলি ইউপি সচিব বজলুর রহমান ছানার এরবিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালামের স্বাক্ষর জাল করে ভিজিএফ্#৩৯;রতিনশত ভুয়া স্লিপ বানানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা যায়,ওই সচিব ভুয়া স্লিপের মাধ্যমে স্থানীয় কালো বাজারীদেরযোগসাজশে ভিজিএফ এর তিন হাজার কেজি চাল আতœসাত করেছেন। এঅভিযোগ করেছেন চিনাডুলী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম ও তারমেম্বারগণ। তবে অভিযুক্ত সচিব বজলুর রহমান মাত্র ৫০টি স্লিপ জালিয়াতিরমাধ্যমে ৫০০ কেজি চাল আতœসাতের কথা স্বীকার করেছেন।এব্যাপারে ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিজানুররহমান জানান,ভিজিএফ বিতরণে কোন অনিয়ম হলে কাওকে ছাড় দেওয়া হবেনা।