দাম্পত্য সুখের শতভাগ টিপস সমূহ

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৪৮:পূর্বাহ্ণ, মে ১৮, ২০১৮
দাম্পত্য সুখের শতভাগ টিপস সমূহ

দাম্পত্যজীবন অসুখী হলে জীবনের সমস্ত অর্জন যেন পানসে হয়ে যায়। দাম্পত্যজীবনে সুখ পাওয়া কিন্তু খুব কঠিন কিছু নয়। একটু কৌশলী হলেই চলে। আসুন সেই কৌশলগুলো জেনে নিই।

একসাথে ঘুমাতে যাওয়া
স্বামী-স্ত্রী সবসময় একসাথে ঘুমাতে যাওয়া উচিত। দুজনের একজন কিংবা উভয়ই যদি কর্মজীবী হন, তবে অফিস থেকে আসার পর বাসায় অফিসের কাজ না করে কিংবা রাত জেগে মুভি না দেখে, দুজনে একসঙ্গে বিছানায় চলে যান। সম্পর্ক মধুর হবে। ছোটখাটো মান-অভিমান জমে থাকলে গলে যাবে নিমিষেই। এতে করে পরের দিন সকালে আপনারা একই সময়ে উঠতে পারবেন।

ভালবাসার প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ
ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ নানাভাবে করা সম্ভব। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি প্রতীকের আশ্রয় নেন। ধরুন শাড়ি আপনার স্বামীর পছন্দ। তার প্রিয় রঙ নীল। তাহলে হঠাৎ করে নীল রঙের শাড়ি পরে তাকে চমকে দিন। একইভাবে আপনার স্ত্রীর পছন্দ কোনো বিশেষ স্থানের বিশেষ খাবার। সেটি তাকে না জানিয়ে অর্ডার করে চমকে দিতে পারেন। এতে সম্পর্ক আরো মধুর হবে।

‘ভালবাসি’ শব্দটি ঝেড়ে না ফেলা
অনেক সময় সংসারজীবনে নানা কারণে দুজন দুজনকে ‘ভালোবাসি’ বলা হয়ে ওঠে না। হয়ত আকারে ইঙ্গিতে ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়; কিন্তু সবসময় সেটি যথেষ্ট না। মাঝে মধ্যে বিয়ের আগে যেভাবে ‘আই লাভ ইউ’ বলতেন, সেভাবে ‘আই লাভ ইউ’ বলে আলিঙ্গন করতে পারেন। থিতু হয়ে আসা সম্পর্কে আবার প্রাণ ফিরে আসবে।

দিনে অন্তত একবার খোঁজ নেওয়া
নাগরিক জীবনে দুজন দুজনার কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। দেখা হবে সেই রাতে। কাজের এক ফাঁকে ফোন করে ছোট্ট করে আড্ডা দিন। কাজের কথা না বলে ‘অকাজের’ কথা বলুন। কী খেলেন, আজ রাস্তায় কী দেখে ভালো লাগল, এসব প্রসঙ্গে আলোচনা করুন। এছাড়া ইন্টারনেটের যুগে চাইলেই ফেসবুক, ইমো ব্যবহার করে ছবি আদান প্রদান করতে পারেন। এতে একে অপরের ওপর আস্থা ও বিশ্বস্ততা বাড়বে।

একে অন্যের প্রশংসা করা
বিয়ের পরেও নিজেদের প্রেমিক-প্রেমিকা ভাবতে শিখুন। অকারণেই দুজন দুজনার প্রশংসা করুন। বলুন, ‘এই পোশাকে তোমাকে দারুণ দেখাচ্ছে’; কিংবা ‘এইটা তুমি খুব ভালো বলেছ’; অথবা ‘তোমার হাসিটা দারুণ’! দেখবেন দুজন দুজনার সঙ্গ উপভোগ করছেন।

আউটডেটিং ও ইটিংআউট
‘ডেটিং’ শব্দটা বাংলাদেশে কেবল প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য তোলা। বিবাহিত জীবনে কেউ বাইরে ডেটিং করার কথা ভাবে না। অবশ্যই ভাবা উচিত। আপনারা যে কোনো ছুটির দিন বেরিয়ে পড়ুন চন্দ্রিমা উদ্যান, রমনা পার্ক, ধানমণ্ডি লেক অথবা বোটানিক্যাল গার্ডেনের উদ্দেশ্যে। দুজনে একান্তভাবে কিছুটা সময় কাটান। ফেরার সময় পছন্দের রেস্টুরেন্ট থেকে ডিনারটা সেরে নিন।

আরো কিছু টিপস:

উৎফুল্ল থাকতে চেষ্টা করুন।
বেশি কাজ কাজ করবেন না।
কোনো কিছু গোপন রাখবেন না।
উপহার দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।
দুজনের অমিল বিষয়গুলো এড়িয়ে চলুন।
আর্থিক সচ্ছলতা না থাকলে মিতব্যয়ী হন।
অতিরিক্ত বন্ধু-বান্ধবীদের বাসায় আনবেন না।
অন্যের সামনে জীবনসঙ্গীর ত্রুটি নিয়ে আলাপ বন্ধ করুন।