রাবিতে অব্যবস্থাপনা অভিযোগ আমলে না নেয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ভাংচুর

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৭:২৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৮ | আপডেট: ৭:২৪:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৫, ২০১৮
রাবিতে অব্যবস্থাপনা অভিযোগ আমলে না নেয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ভাংচুর

 মো:উমর ফারুক,রাবি প্রতিনিধি: হলের নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ আমলে না নেয়ায় ভাংচুর ও বিক্ষোভ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল নবাব আব্দুল লতিফ এর আবাসিক শিক্ষার্থীরা। রোববার দুপুর ১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই হল প্রভোস্টের কাছে সংস্কার, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ডাইনিং এ খাবারের মান বৃদ্ধি, ওয়াশরুমগুলো সংস্কার, দেয়ালে রং করা, ওয়াইফাই, পাঠাগার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি জানিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা।

 

তবে সে ব্যাপারে হলের কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। গতকাল খাবারের ভিতরে জীবন্ত পোকা পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে এ আন্দোলন করছে। ঘটনার বিষয়ে ডাইনিং কর্মচারী আব্দুল খালেক বলেন, গতকাল শনিবার খাবারের ভিতরে পোকা পায় এক শিক্ষার্থী। সে কিছু না বলেই টাকা দিয়ে ডাইনিং ত্যাগ করে। তবে আজকে এসে কিছু না বলেই খেতে বসে বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ দিতে থাকেন। এবং ডাইনিং বন্ধ করতে বলেন অন্য শিক্ষার্থীরা। এর পর টেবিল, বেসিন ভাঙচুর করে। পরে তালা আটকে বন্ধ করে দেয় তারা।

 

আমাদের চলে আসতে বলায় আমরা চলে এসেছি।’ সরেজমিনে দেখা যায়, ডাইনিং এর বেসিনগুলো ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। টেবিল চেয়ারগুলো উল্টানো। ডাইনিং তালাবদ্ধ। পরে হলের প্রধান ফটক আটকে বিভিন্ন দাবি দাওয়া উপস্থাপন করতে শুরু করে শিক্ষার্থীরা। বেলা আড়াইটার এর দিকে দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান ও হল প্রভোস্ট অধ্যাপক বিপুল কুমার বিশ^াস।

 

তাদের কাছে খাবার মানসম্মতকরণ, রিডিং রুমের ব্যবস্থা, ওয়াই ফাই, ডাস্টবিন স্থাপন, পত্রিকারুমের উন্নয়ন, ওয়াশরুম সংস্কার, গেমসরুমে পর্যাপ্ত উপকরণ, টিভি রুম সংস্কার, মসজিদে মাইক সংস্কার, টিউবওয়েলের ব্যবস্থা, কর্মকর্তা কর্মচারীদের শোভনীয় আচরণ, হল অভ্যন্তরে আলোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থাসহ ১২ টি দাবিতে একটি আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা। দাবির প্রেক্ষিতে বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমি হলটি ঘুরে দেখেছি বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। হল প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে হলের সংস্কারের জন্য এবং আবারও সেখানে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষন করব বলে জানিয়েছি।’

 

এ বিষয়ে লতিফ হল প্রভোস্ট অধ্যাপক বিপুল কুমার কুমার বিশ^াস প্রক্টরের সাথে একমত হয়ে আগামী ৫ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবি দাওয়া পূরণ করার আশ^াস দেন।