ঢাকা, ||

নওগাঁর আত্রাইয়ে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান।

 নওগাঁ প্রতিনিধিঃ- নওগাঁর আত্রাই উপজেলা ভোঁপাড়া ইউনিয়নের বারনীতলা বাজার এলাকায়  বিয়ের দাবীতে প্রেমিক  মেহেদি হাসান তুহিন বাড়িতে প্রেমিকা তাসলিমা আকতার রানী  অবস্থান নিয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩রা এপ্রিল বুধবার বৈকাল আনুমানিক ৫টার সময়। এলাকা বাসী সুত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলাধীন ভোঁপাড়া ইউনিয়নের বারনীতলা বাজার  এলাকার প্রবাসী বেলাল মন্ডল  পুত্র  মেহেদি হাসান তুহিন (২৭) এর সাথে নওগাঁ সদর উপজেলা তুলসিগঙ্গা এলাকার নওশাদ আলীর কন্যা নওগাঁ সরকারী বিএমসি কলেজের অর্নাস ২য় বর্ষের ছাত্রী তাসলিমা আকতার রানী(২২) দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রেমিক  মেহেদি হাসান তুহিনের বিয়ের সংবাদ শুনে গত বুধবার  ৩রা মে বৈকালে ৫টার সময় প্রেমিক মেহেদি হাসান তুহিনের বাড়িতে তাসলিমা আকতার রানী অবস্থান নিতে গেলে  প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজন  মারপিট করে প্রেমিকা রানীকে বাড়ি থেকে আত্রাই- নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের উপর যখম আবস্থায় ফেলে দেয়। প্রেমিকার রানীর আতœ চিৎকারে বারনী তলা বাজারের লোকজন  ঘটনার স্থলে ছুঁটে আসে। এলাকাবাসী পাশর্^  ব্র্যারাক আইন সহায়তা অফিসে খবর দিলে উক্ত সংগঠনের লোকজন রানীকে জখম অবস্থায় উদ্ধার করে আত্রাই হাসপাতালে  চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে দেয়া হয়। এই সুযোগে প্রেমিক মেহেদি হাসান তুহিন তার পরিবারের লোকজন সহ বাড়িতে তালা-চাবি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় ও ব্র্যারক অফিস থেকে রানীর পরিবারকে খবর দিলে রানীর ভাই আত্রাই হাসপাতালে চিকিৎসাদীর বোনকে নিয়ে রাত্রী আনুমানিক ৯টার সময় আত্রাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ  দাখিল করে। এ প্রসংগে রানীর অভিযোগ মেহেদি হাসান তুহিনের সংগে প্রায় তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তুহিনের বিয়ের খবর শুনে তার বাড়িতে অবস্থান নেয় । আমার অবস্থান  দেখে তুহিন তার মা কোহেলী বেগম সহ পরিবারের লোকজন আমাকে মারধোর করে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে রাস্তার উপর পেলে দেয়। সে আমার জীবন নষ্ট করেছে।তাই বাধ্য হয়ে বিয়ের দাবী নিয়ে তার বাড়িতে এসেছি। তার সংগে বিয়ে না হলে আমি আতœহত্যা করবো। এ বিষয়ে আত্রাই থানার অফিসার ইন”ার্জ বদরুদোজ্জা সরকার বলেন আমি খবর পেয়ে গটনার স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বাড়িতে তালা-চাবি দিয়ে বন্ধ আছে।  তাসলিমা আকতার রানীর অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূবর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষেয়ে কোন রুপ ছাড় দেয়া হবে না।
Top