`আবারও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন আমার নেত্রী খালেদা জিয়া’: পার্থ’র ভবিষ্যৎ বাণী

প্রকাশিত: ৯:৩২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৩৬:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৮

আবারও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন  ২০ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এমনই ভবিষ্যত বাণী দিয়েছেন ক্লিন ইমেজের তরুণ রাজনীতিবিদ, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ । খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোন রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণ করা যাবে না  বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

সম্পর্কিত ছবি

বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘খালেদা জিয়া শুধু কারাগারে নন, ১৬ কোটি মানুষ আজ কারাগারে। সরকারকে বলে দিতে চাই, বাংলাদেশের কোনো আদালতের খোঁচায় কিংবা কোনো নির্বাহী আদেশের কলমের খোঁচায় তাকে (খালেদা) বন্দি করে রাখা যাবে না, তাকে ছাড়া কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যাবে না। তিনি বলেন, আমার নেত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদানের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে গত বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে পার্থ এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে মন্তব্য করে অনশন কর্মসূচিতে  আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ক্ষমতায় গেলে এতে জড়িতদের বিচার করা হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে পার্থ বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবেন তাঁরা। নেত্রীকে মুক্ত না করা পর্যন্ত তাঁরা কাউকে ঘুমাতে দেবেন না।

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দালিব রহমান পার্থ এর ছবি ফলাফল

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ভাগ্নে পার্থ বিয়ে করেছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার চাচাত ভাই শেখ হেলালের মেয়েকে। এরশাদের মন্ত্রী নাজিউর রহমান মঞ্জুরের মৃত্যুর পর বিজেপির হাল ধরে আছেন তার ছেলে পার্থ। তার দল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটে শুরু থেকে রয়েছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় আদালত বিএনপি চেয়ারপারসনকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার পর ওই রায়কে ‘ধিক্কার’ দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন পার্থ।
অনশন কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ২০ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের  এম এ রকীব, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, লেবার পার্টির একাংশের মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, অন্য অংশের হামদুল্লাহ আল মেহেদী, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, ন্যাপের গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া।
অনশনের শেষ দিকে ভিড় ডিঙিয়ে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আবদুল হালিম অনশনস্থলে আসেন। তিনি দুই মিনিট থেকে নেতাদের সঙ্গে করমর্দন করে চলে যান।