মুহূর্তে ‘সব শেষ’ পুরুষের!

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৮:০১ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮ | আপডেট: ৮:০১:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৮
মুহূর্তে ‘সব শেষ’ পুরুষের!

মুখে যতই বাঘ মারুক না কেন বিয়ের আগে পুরুষরা যৌন সংক্রান্ত ভয়ে ভিজে বেড়াল হয়ে যায়। অনেক পুরুষরাই ভয় পায় আসল কাজের সময় যদি সঙ্গিনীর কাছে ফুশ হয়ে যায় তবে? এ সমস্যা শুধু বিয়ের আগেই নয়, সঙ্গিনীকে প্রথম আদর করার ইচ্ছের সময় থেকেই হয়। পুরুষদের এই ভয় বাজার চলতি কোনও মহাঔষধে সাড়ে না। সাড়ে শুধু একজন মহিলার সংস্পর্শেই। এই যৌন ভয় দূর করতে মহিলার ভুমিকা অতুলনীয়।

স্ত্রী এবং প্রেমিকা কখনই এক বিষয় হতে পারে না। কোন মহিলা যখন স্ত্রী হিসেবে আপনার ঘরে আসবে তখন আপনি প্রানপণে চেষ্টা করবেন তাকে সুখী করার। আর এই আত্মবিশ্বাসই আপনাকে লম্বা মিলনে দৌড়তে সাহায্য করবে। তবে বলে রাখি সেক্স একপ্রকার খেলা! এটা শিখতে হয়। যদিও তা শিখলেই হয় না এর প্র্যাকটিসের খুব প্রয়োজন। আপনি যখন আপনার স্ত্রীকে ঘরে আনবেন তখন তার শরীর, তার চাওয়া-পাওয়া আপনার কাছে অজানা থাকবে। কিন্তু যতই দিন যাবে, আপনি জানবেন কিভাবে সে সুখ পায়, কোন পজিশনে তাকে কাবু করা যায় এবং সেও আপনার টার্নিং পয়েন্ট বুঝবে এবং দু’জনের সমন্বয়ে দীর্ঘ সময়ের মিলন হবে। প্রথম দিকে আপনার দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে, কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক। আপনার স্ত্রীকেও এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলতে হবে। ভয় এবং সেক্স পরষ্পরের শত্রু।

অনান্য সময় সহজে পুরুষাঙ্গ বেশ শক্ত হয়ে উঠলেও অনেকসময়য় ভয়ে পুরুষের লিঙ্গ কঠিন হয়না। বিয়ের আগে যদি কোন কারনে স্বল্প সময়ে স্থলন সমস্যা দেখেন তা হয়তো আপনার ভয়জনিত কারণ। এতে ভয়ের কিছু নেই। মহিলাই চাইলে একজন ছেলেকে বাঘ বানাতে পারে, চাইলে আবার পোষা বেড়ালও। তবে বাঘ বানালেই সে লাভবান হবে। আর এই বাঘ বানাতে প্রয়োজন কিছু আকর্ষণ করার মতো কথা! আর সেই কথাই আপনার সঙ্গীকে চাঙ্গা করে তুলবে। ভাবছেন আকর্ষণ কথা কেমন হতে পারে? রইল আপনার জন্যে একটা উদাহরণ! একজন সঙ্গী যদি একজন সঙ্গিনীকে বলে ‘এভাবে করো, তোমার এই স্টাইলটা ভালো লাগছে / তুমি খুব ভালো আনন্দ দিতে পারো…।’ ব্যাস এই টুকুর পরেই পুরুষ সঙ্গী চিতা বাঘের মত দৌড়াতে শুরু করে দেবে।  -কলকাতা২৪x৭

আরও পড়ুন: বীর্যপাত বন্ধ রেখে বেশী সময় যৌন মিলন করার সেরা পদ্ধতি: পোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মিলন করতে পারেন না। অধিক সময় দরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধিতর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মূল যোগ্যতা হিসেবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

এখানে বলে রাখতে চাই-২৫ বছেরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা।তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এরপর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানেও বাড়তে থাকে। তাছাড় একা নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বারবার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেখা যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভালো লাগা/

মন্দ লাগা, পছন্সই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালোভাবে অবহিত থাকে। সহবাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আজকের আলোচনা। পদ্ধতিতে আসা যাক।

পদ্ধতি১: চেপে/টিপে(স্কুইজ)ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে ধরত হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে বীর্য বহি:র্গামী হয় সে শিরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চেপে ধরবেন।

চাপ ছেড়ে দেয়ার পর ৩০-৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কার্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন।

কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকাশীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

পদ্ধতি২: সংকোচন(টেনসিং) অধিক সময় ধরে পোন মিলন করার এ পদ্ধতি সর্ম্পকে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই আমারা প্রসাব করার সময় প্রসাব পুরুপোরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্ণিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম।

তবে পার্থক্য হল এখানে আমারা খিচুনী প্রয়োগ করবো- চাপ নয়। এবার মূল বর্ণনা- মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন।

এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন র্বীয স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

স্ত্রীর যোনিতে কখন যৌনাঙ্গ প্রবেশ করালে স্ত্রী আনন্দ পাবে?: প্রথমে কিছুক্ষণ স্ত্রীর সঙ্গে রোমান্টিক গল্প করুন। তারপর তার সমগ্র শরীরে (ঠোট, মুখ, গলা, ঘাড়, বুক, স্তন, নাভী, পেট, পিঠ, তলপেট, ঊরু, নিতম্ব, যৌনাঙ্গ ইত্যাদি স্থানে) চুম্বন, আলিঙ্গন, ম্যাসাজ করে স্ত্রীকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করুন।সঠিকভাবে উত্তেজিত হলে দেখবে তোমার স্ত্রীর যোনি থেকে এক ধরনের পিচ্ছিল রস বের হচ্ছে। ঐ রস বের হলেই বুঝবেন যে তোমার স্ত্রী যৌন সঙ্গমের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। ঐ রসের অন্যতম কাজ যোনিপথ পিচ্ছিল করে দেওয়া যাতে যৌনক্রিয়ার সময় ব্যাথা না লাগে (যৌন মিলনকালে নারী ব্যাথা পাওয়ার কারণ)।

আপনার লিঙ্গে থেকেও ঐ একইরকম পিচ্ছিল রস বের হবে। তারপর আপনি আপনার লিঙ্গ স্ত্রীর যোনিতে প্রবেশ করাতে পারেন। দুজনেই আনন্দ পাবে। মনে রাখবে যৌনসঙ্গম মানে শুধু যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে নাড়াচাড়া করা নয়, যৌনসঙ্গম হল ভালবাসার অভিব্যক্তি।

তাই স্ত্রীকে শুধু যৌনক্রিয়ার মেশিন হিসেবে ভাববে না। তাকে আদর করে ধীরে ধীরে সঙ্গম শুরু করবে।তাহলেই আপনার স্ত্রী খুব আনন্দ পাবে এবং আপনাকেও আরও ভালবাসবে। এতসব করা সত্ত্বেও যদি যৌনক্রিয়ার সময় তোমার স্ত্রী ব্যাথা অনুভব করে তাহলে যোনিতে কোন লুব্রিকেটিং জেল নিজের লিঙ্গে লাগিয়ে তারপর সঙ্গম শুরু করুন।কিন্তু প্রথম যৌন সঙ্গমের সময় কিছু মহিলার সামান্য ব্যাথা লাগতে পারে। অনেকে সেই ভয়েই জড়সড় হয়ে থাকে। আপনার স্ত্রীরও এমন হলে তাকে গল্প করতে করতে বোঝান, যে ঐ সামান্য কষ্ট সহ্য করতে পারলে পরে সে অনাবিল আনন্দ পাবে। আর হ্যাঁ, কন্ডম ব্যবহার করতে ভুলবেনা।