বাকেরগঞ্জে স্কুল ছাত্রীর জুলন্ত লাশ উদ্ধার নিয়ে ধুম্জাল

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ১০:৪১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৪১:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮
বাকেরগঞ্জে স্কুল ছাত্রীর জুলন্ত লাশ উদ্ধার নিয়ে ধুম্জাল

বাকেরগঞ্জের কলসকাঠী ইউনিয়নের নারাঙ্গল গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে ফেরদৌসি আক্তার চৈতী (১৫) জুলন্ত অব্যস্থায় লাশ উদ্ধার বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ। চৈতীর আত্মহননকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর মধ্যে ধু¤্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গত ১১ ই ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে চৈতীর দাদীর সাথে খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। সকাল ৬:৩০ মিনিটে দাদী চৈতির কোন আলাপ না পেয়ে ঘরের পিছনের দরজা খুলে আড়ায় গলায় ফাঁস দেয়া অব্যস্থায় চৈতীর লাশ দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার দেয়। পরে এলাকাবাসী ছুটে এসে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে সকাল ১০ টায় লাশ সুরাতল করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করেন। এলাকাবাসী ও স্কুল ছাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, চৈতি ২০১৮ সালে ১০ম শ্রেনীতে উত্তির্ন হয়েছে এবং চৈতী খুব ভাল ছাত্রী ছিলো। চৈতীর তার দাদীর সাথে নিজ বাড়িতে থাকতো এবং তার পিতা-মাতা সবাই ব্যবসার কাজে ঢাকায় থাকতেন। একটি সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়ির মো. কালাম গাজীর স্ত্রী নাছিমা বেগমের প্রথম ঘরের সন্তান মো. রেজাউল (১৮) চৈতীর ঘরের আসা যাওয়ায় করতো রেজাউল বিভিন্ন সময় চৈতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসে এক পর্যায় চৈতী রাজি হয়ে যায়। পরে দুজনের ফোনালাপনের মাধ্যমে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে যার কিছুদিন পরে চৈতী আতœাসত্তা হয়ে পরে। পরে রেজাউলকে বিয়ে করার জন্য বললে রেজাউল রাজি না হওয়ার কারনে চৈতী আতœাহত্যা করে। এবিষয় কালাম গাজী তার স্ত্রী নাছিমা বেগমের সন্তান রেজাউলের উপরে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন রেজাউল তার মাকে দেখতে মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে আসতো কিন্তু চৈতীর সাথে কোন সম্পর্ক আছে কি না তা আমার জানা নেই। চৈতীর পিতা সিদ্দিকুর রহমান জানায়, আমার সাথে একই বাড়ির আলম গাজীর সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। আলম গাজীর পুত্র মো. তুহিন গাজীর আমার ঘরে আসা যাওয়া করতো এবং কালাম গাজী ছেলে রেজাউলে আমার ঘরে আসা যাওয়া বিষয়টি স্বীকার করেন সিদ্দিকুর রহমান। আমার মেয়েকে ওরা বাঁচতে দিলো না ওরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যাকারীদের ফাঁসী চাই। বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা কিছু বলতে পারছি না পোষ্ট মর্টেম রিপোর্ট আসলে বলা যাবে। আতœাহনন ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।