চালের দাম কমেছে ৩ থেকে ৫ টাকা

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:১২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭ | আপডেট: ৩:১২:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭
চালের দাম কমেছে ৩ থেকে ৫ টাকা

বন্যা ও চালের কৃত্রিম সংকটসহ বিভিন্ন কারণে সাম্প্রতিক সময়ে চালের দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে নিরাপত্তা সংস্থার তৎপরতা ও বিদেশ থেকে চাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে আনাসহ সরকারের নানা পদক্ষেপে ধীরে ধীরে চালের দাম কমছে। যদিও বাজারে তার তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। ফলে চালের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষদের।

বেসরকারি চাকরিজীবী জুনায়েদ হাসান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, প্রতিদিনকার ভরণপোছণে বেগ পেতে হচ্ছে। আয়ের ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ যাচ্ছে বাড়ি-ভাড়া, বিদ্যুৎ ও পানির বিল দিতে। অফিসে যাতায়াত ও প্রতিদিনকার কাজ শেষ করতে মাস শেষে আয়ের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ যাচ্ছে। বাদবাকি টাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়।

তিনি বলেন, বাজারের প্রত্যেকটি পণ্যের দামই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ। কিন্তু আমাদের বেতন বাড়েনি। এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে বড় কোন অসুখ হলে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হবে।

শুক্রবার রাজধানীর রামপুরা ও মেরাদিয়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি ও আমদানি করা মোটা চাল (স্বর্ণা, বিআর-২৮, গুটি) ৪৫ টাকা, মিনিকেট রশিদ ও বাসরি ৬২ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ৫৪ থেকে ৫৬ টাকা ছিল।

এদিকে, মিনিকেট (সাধারণ) ৫৫ টাকা, নাজিরশাইল ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিকেজি চালে দাম কমেছে ৩ থেকে ৫ টাকা। এ ছাড়া বাসমতি ৭৫ টাকা, কাটারিভোগ ৭৫ টাকা এবং পোলাও চাল ৯০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, শীতের আগমনের তেমন প্রভাব পড়েনি সবজি বাজারে। বাজারের প্রকারভেদে সবজির দাম সামান্য কমলেও পেঁয়াজের দাম রয়েছে চড়া। প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ৮০ টাকায়। এ ছাড়া আদা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, রসুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচের দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কমে ২২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আর টমেটো ১২০ টাকা এবং বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

করলা কেজি প্রতি ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৫০ টাকা, গাজর ৮০, পুঁইশাক প্রতি আটি ১৫ থেকে ২০ টাকা, লালশাক ১৫ টাকা ও লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়।

এদিকে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ৪০ টাকা। এ ছাড়া দেশি মুরগি ২২০ থেকে ৩৫০ টাকা পিস, লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা এবং কর্ক আকার ভেদে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।