রামাণ্যচিত্রে শহীদ কামারুজ্জামান

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:১০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭ | আপডেট: ৩:১০:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৭
রামাণ্যচিত্রে শহীদ কামারুজ্জামান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম সহযোগী, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে নির্মমভাবে নিহত শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘উত্তরের মানুষ ধ্রুবতারা’ ইউটিউবে মুক্তি পেল। ৪৬ মিনিট দীর্ঘ এ চলচ্চিত্রে কামারুজ্জামানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবন স্বজন, সহযোদ্ধা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে উঠে এসেছে।

.

শহীদ কামারুজ্জামান অবিভক্ত বাংলা ও পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি একাত্তরের ৮ মার্চ কারফিউ প্রত্যাহারের জন্য পত্রিকায় বিবৃতি দেন ও ১১ মার্চ রাজশাহীর ভুবন মোহন পার্কে এক বিশাল জনসভায় স্বাধীনতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের হয়ে শপথ নেন এবং স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তরের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হওয়ার সময় কারাবন্দী হন ও ৩ নভেম্বর রাতে কারাগারে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন কামারুজ্জামান।

এ কিংবদন্তির পূর্বসুরী ও উত্তরসুরীদের অনেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে গণমানুষের জন্য লড়াই সংগ্রাম অব্যহত রেখেছেন। তার দাদা জমিদার লাল মোহাম্মদ কংগ্রেসের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকাকালে দু’বার লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য (এমএলসি) নির্বাচিত হন; রাজশাহী এসোসিয়েশন ও বরেন্দ্র একাডেমির একমাত্র মুসলিম সদস্য ছিলেন।

শহীদ কামারুজ্জামানের বাবা আব্দুল হামিদ মিয়া রাজশাহী অঞ্চলে মুসলিম লীগের সভাপতি ও পূর্ব পাকিস্তান আইন সভার সদস্য (এমএলএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কামারুজ্জামানের বড় ছেলে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।