সরকার ইসলামি শিক্ষাকে আধুনিক করেছে : শিক্ষামন্ত্রী

জি এম নিউজ জি এম নিউজ

বাংলার প্রতিচ্ছবি

প্রকাশিত: ৩:১৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ৩:১৫:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০১৮
সরকার ইসলামি শিক্ষাকে আধুনিক করেছে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে ইসলামি শিক্ষার সর্বোচ্চ উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন হয়েছে, যা বিগত সরকারের আমলে হয়নি। শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন আয়োজিত আলিয়া মাদরাসা শিক্ষকদের মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে মাদরাসা অধিদফতর তৈরি করা হয়েছে। এ শিক্ষায় অনার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। ৩০ একর জমির উপর ৪১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। সাধারণ বিষয়ের মতো আইসিটি ও বিজ্ঞান বিষয় চালু করা হয়েছে। অনেকে বলে থাকেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ইসলাম ধ্বংস হয়ে যাবে। যাদের ইমান দূর্বল তারাই এসব প্রচারণা চালায় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মাদরাসা শিক্ষকদের অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ কারণে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, দেশে কোরআন-হাদিসের পরিপন্থী কোন আইন প্রতিষ্ঠা হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রতি বছর মেধা ও সাধারণ কোটায় সাড়ে সাত হাজার মাদসারা শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। কওমি মাদরাসাকে সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে। মাদরাসা জঙ্গিবাদের কারখানা নয়। দেশকে ধ্বংস করতে অনেকে ইসলামের নামে অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের সন্তানকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে আমাদের সর্তক থাকতে হবে। আমাদের সন্তানদের জঙ্গিবাদের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে রক্ষা করতে হবে। এছাড়া অতি দ্রুত জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বীর আহমদ মোমতাজী বলেন, অতীতে অনেক সরকার এ সংগঠনের ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়েছে। এখনও কেউ কেউ আমাদের সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের ঐক্য কখনও নষ্ট হয়নি আর হবেও না। তিনি বলেন, এ সরকারের মাধ্যমে আমাদের শত বছরের প্রাণের দাবি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষকদের বেতম বৈষম্য দূর হয়েছে। মাদরাসা অধিদফতর তৈরি হয়েছে। এ কারণে তিনি সরকারকে সাধুবাদ জানান।

সংগঠনের পক্ষ থেকে মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরীর বয়সমীমা ৬৫ বছর, শিক্ষার্থী সংকট দূরীকরণে সংযুক্ত ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদসারাকে প্রাইমারি স্কুলের মতো জাতীয়করণে আওতাভুক্ত, উপবৃত্তি ও টিফিনের ব্যবস্থা এবং নতুন ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষক সংকট দূরীকরণে জমিয়াতুল মোদার্রেছীন কর্তৃক জনবল কাঠানো অনুমোদন ও মাদরাসার সহকারী মৌলভীদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের দাবি জানানো হয়।